শীতের হিমেল রাতে নৈশভোজের টেবিলে নতুনত্ব আনতে সাধারণ ফ্রায়েড রাইসের (Fried rice) বদলে ট্রাই করতে পারেন ভিনদেশের জিভে জল আনা কিছু পদ। চিনা রান্নার বাইরেও চাল ও সাধারণ কিছু উপকরণের মেলবন্ধনে তৈরি এই ৬টি পদ আপনার ডিনারকে করে তুলবে রাজকীয় ও পুষ্টিকর।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!১. বার্নট গার্লিক রাইস: যাঁরা হালকা কিন্তু সুগন্ধি খাবার পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এটি আদর্শ। প্রচুর রসুন কুচি ও কাঁচালঙ্কা মাখনে লালচে করে ভেজে ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে নেওয়া হয়। শেষে ওপর থেকে মচমচে ভাজা রসুন ছড়িয়ে দিলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়।
২. কিমা ফ্রায়েড রাইস: এটি একটি পরিপূর্ণ ‘ওয়ান পট মিল’। মশলায় কষানো চিকেন বা মাটন কিমার সঙ্গে চাল ভেজে রান্না করা হয়। এই পদটি প্রোটিনে ঠাসা, তাই এর সঙ্গে আলাদা কোনো তরকারির প্রয়োজন হয় না।
৩. পনির-কর্ন-স্পিন্যাচ রাইস: ছোটদের জন্য এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। পালং শাকের পিউরি, মিষ্টি ভুট্টার দানা (কর্ন) এবং ভাজা পনিরের টুকরো দিয়ে তৈরি এই সবুজ রঙের রাইসটি দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও তেমন নোনতা-মিষ্টি স্বাদের। শীতকালে এতে কড়াইশুঁটিও মেশানো যেতে পারে।
৪. আরোজ় রোজো (মেক্সিকান): এটি মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী ‘লাল ভাত’। টম্যাটো পিউরি, জিরে গুঁড়ো ও রসুনের স্বাদে তৈরি এই রাইসে থাকে রাজমা, কর্ন ও লাল ক্যাপসিকাম। এটি সাধারণ ফ্রায়েড রাইসের মতো একদম ঝরঝরে হয় না, বরং এতে কিছুটা ভিজে ভাব থাকে।
৫. পেস্তো ফ্রায়েড রাইস: ইটালির বিখ্যাত ‘পেস্তো সস’ (তুলসী পাতা, বাদাম ও অলিভ অয়েলের মিশ্রণ) দিয়ে এই ভাত তৈরি হয়। অলিভ অয়েল বা মাখনে রান্না করা এই সুগন্ধি পদে চেরি টম্যাটো এবং নামানোর আগে পারমেজান চিজ ছড়িয়ে দিলে খাঁটি ইটালীয় স্বাদ পাওয়া যায়।
৬. সিলান্ত্রো-লাইম রাইস: নাম গালভরা হলেও এর উপকরণ খুব সাধারণ। বাসমতি চালের সঙ্গে প্রচুর ধনেপাতা কুচি, লেবুর রস ও লেবুর পাতার টক-মিষ্টি সুঘ্রাণ মিলে মিশে এক অদ্ভুত সতেজতা তৈরি করে। ঘ্রাণেই যার অর্ধেক ভোজন সম্ভব।
শীতের রাতে একঘেয়েমি কাটাতে এই বৈচিত্র্যময় ফ্রায়েড রাইসগুলো আপনার হেঁশেলে আনতে পারে আন্তর্জাতিক স্বাদের ছোঁয়া।