যুবভারতী ছেড়ে আসন্ন মরসুমে কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামকে ঘরের মাঠ হিসেবে বেছে নেওয়ার দিকেই এগোচ্ছে ইস্ট বেঙ্গল(East Bengal)। যদিও ভেন্যু এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি, তবে ক্লাব সূত্রে খবর—আইএসএলের অধিকাংশ হোম ম্যাচ কিশোর ভারতীতেই আয়োজন করা হতে পারে অস্কার ব্রিগেডের। মূল কারণ হিসেবে উঠে আসছে ম্যাচ আয়োজনের বিপুল খরচ। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে একটি ম্যাচ আয়োজন করতে যেখানে গড়ে ৩৫ থেকে ৩৮ লক্ষ টাকা খরচ হয়, সেখানে বড় ম্যাচ হলে সেই অঙ্ক আরও বাড়ে। তুলনামূলকভাবে কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামের ভাড়া প্রায় অর্ধেক হওয়ায় আর্থিক দিক থেকে এই সিদ্ধান্তকে অনেকটাই বাস্তবসম্মত মনে করছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তবে শুধু সুবিধাই নয়, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক সমস্যা। শহরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে রাতের ম্যাচ শেষ হলে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সমর্থকদের বাড়ি ফেরা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে গণপরিবহণের সীমাবদ্ধতা বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করছে। এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। শীঘ্রই কোচের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে খবর। যদি কিশোর ভারতীকেই ঘরের মাঠ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে মোহনবাগান যুবভারতীতে খেললেও ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের নতুন ভেন্যুর সঙ্গেই মানিয়ে নিতে হবে।
এদিকে দল গঠনের কাজেও সক্রিয় লাল-হলুদ শিবির। ওড়িশা এফসি থেকে অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার জেরি মাওউইয়াকে সই করিয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। আইএসএলে ওড়িশার হয়ে ১১২টি ম্যাচ খেলা এই ফুটবলারের ইস্ট বেঙ্গলের বিরুদ্ধেও গোল করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। জানা যাচ্ছে, শুক্রবারই অস্কার ব্রিগেডের অনুশীলনে যোগ দিতে পারেন তিনি। পাশাপাশি বিদেশি স্ট্রাইকার ইউসুফের সঙ্গে চার মাসের চুক্তি করেছে ক্লাব। ইতিমধ্যেই তাঁর ভিসার জন্য আবেদন করা হয়েছে। তবে ভিসা সংক্রান্ত কোনও জটিলতা তৈরি হলে অস্কারের জন্য তা বড় চিন্তার কারণ হতে পারে, কারণ আইএসএলে ইস্ট বেঙ্গলের অভিযান শুরু হচ্ছে ১৬ জানুয়ারি। ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড, ফলে প্রস্তুতির সময়ও খুবই কম।
এর মধ্যেই প্রস্তুতি ম্যাচে বারাকপুরের বিভূতিভূষণ স্টেডিয়ামে বিধাননগর অ্যাকাডেমিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। দেবজিৎ, লালনুটুলুঙ্গা ও শিলাজিতের গোলে জয় আসে। যদিও ডিফেন্ডার প্রজ্জ্বল লাল কার্ড দেখায় দীর্ঘ সময় ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় লাল-হলুদ