রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬Bengali News: (বাংলা সংবাদ) Latest News in Bangla
aajbanglanews.com

সকালে ঘুম থেকে উঠলেই পুরুষাঙ্গের দৃঢ়তা!

আপডেট:

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পুরুষাঙ্গের দৃঢ়তা বা শক্ত হয়ে থাকা অনেক পুরুষের জন্যই অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে পোশাকের ভেতর থেকে এর দৃশ্যমানতা অনেককে জনসমক্ষে লজ্জায় ফেলে দেয়। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘নকটার্নাল পেনাইল টিউমেসেন্স’ (NPT), যা পুরুষের সুস্বাস্থ্যের এক অনন্য লক্ষণ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

কেন এমন হয়? সাধারণভাবে অনেকের ধারণা, যৌন উত্তেজনামূলক স্বপ্ন বা প্রস্রাবের চাপের কারণে সকালে লিঙ্গ দৃঢ় হয়ে থাকে। আবার অনেক মহিলা মনে করেন, সকালে ঘুম ভাঙার পর পুরুষদের যৌন আকাঙ্ক্ষা বেশি থাকে বলেই এমনটা হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে হরমোনকে চিহ্নিত করেছেন:

  • টেস্টোস্টেরন হরমোনের প্রভাব: ঘুমন্ত অবস্থায় এবং ঘুম থেকে ওঠার ঠিক পরেই পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের নিঃসরণ সবচেয়ে বেশি থাকে। দিনের মোট ক্ষরণের প্রায় ২৫% থেকে ৫০% এই সময়েই ঘটে, যার ফলে পুরুষাঙ্গ দৃঢ় হয়ে ওঠে।

  • রাতের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া: বিশেষজ্ঞরা জানান, এটি কেবল সকালেই ঘটে না। একজন সুস্থ পুরুষের ঘুমের মধ্যে সারা রাতে অন্তত ৫ থেকে ৬ বার লিঙ্গ দৃঢ় হতে পারে।

  • অত্যধিক সংবেদনশীলতা: পুরুষাঙ্গ অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় ঘুমের মধ্যে বিছানা বা পোশাকের মতো কোনো নরম জিনিসের সামান্য স্পর্শেও অবচেতনভাবে এর উত্থান ঘটতে পারে।

এর গুরুত্ব ও উপকারিতা: বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে লিঙ্গের এই দৃঢ়তা সুস্থ রক্ত সঞ্চালন এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতার প্রমাণ দেয়। যদি নিয়মিত এমনটা না ঘটে, তবে তা দুশ্চিন্তার বিষয় হতে পারে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

যেহেতু এই সময়ে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা সর্বোচ্চ থাকে, তাই যৌন বিশেষজ্ঞরা ‘মর্নিং সেক্স’ বা সকালের মিলনকে শারীরিক সক্ষমতা ও তৃপ্তির নিরিখে অত্যন্ত কার্যকর বলে মনে করেন। এটি দীর্ঘস্থায়ী মিলন এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য বিশেষ সহায়ক।

সকালে পুরুষাঙ্গের এই অবস্থা নিয়ে লজ্জিত বা অস্বস্তিবোধ করার কিছু নেই। এটি কোনো রোগ নয়, বরং পুরুষের জীবনীশক্তি এবং সুস্থ হরমোন চক্রের এক স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ।

You cannot copy content of this page