শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬Bengali News: (বাংলা সংবাদ) Latest News in Bangla
aajbanglanews.com

অজান্তেই ভুল হচ্ছে না তো?

যৌনতা নিয়ে আমাদের সমাজে বিদ্যমান নানা ট্যাবু বা সংস্কারের কারণে অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাব দেখা দেয়। বিশেষ করে নিরাপদ মিলনের অন্যতম মাধ্যম কন্ডোম (Condom) নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা কম থাকায় অজান্তেই অনেকে বড় বিপদের ঝুঁকি নেন। সঠিক জ্ঞান না থাকার ফলে কন্ডোম ব্যবহারের ক্ষেত্রে পুরুষরা সাধারণত যে ৫টি ভুল করে থাকেন, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিচে আলোচনা করা হলো:

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

১. ভুল স্থানে সংরক্ষণ: কন্ডোম গোপনীয় বস্তু হওয়ায় অনেকেই এটি মানিব্যাগের চিপায় বা আলমারির ভারি জিনিসের নিচে লুকিয়ে রাখেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানিব্যাগে রাখলে বসার সময় ঘষা লেগে বা চাপে কন্ডোম ফুটো হয়ে যেতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত তাপ ও চাপে এর রাবারের কার্যকারিতা নষ্ট হয়। তাই কন্ডোম সবসময় ঠান্ডা ও শুষ্ক জায়গায় রাখা উচিত।

২. মেয়াদের দিকে নজর না দেওয়া: যেকোনো ওষুধের মতো কন্ডোমেরও নির্দিষ্ট মেয়াদ বা ‘এক্সপায়ারি ডেট’ থাকে। মেয়াদ উত্তীর্ণ কন্ডোম সহজেই ছিঁড়ে যেতে পারে এবং এটি ব্যবহারে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই ব্যবহারের আগে প্যাকেটের গায়ে লেখা তারিখটি অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।

৩. ব্যবহারের সঠিক সময়: অনেকের ধারণা, সঙ্গমের চূড়ান্ত মুহূর্তে অর্থাৎ বীর্যপাতের ঠিক আগে কন্ডোম পরলেই চলে। এটি একটি ভুল ও ঝুঁকিপূর্ণ ধারণা। মিলনের শুরু থেকেই সামান্য পরিমাণে শুক্রাণু নিঃসৃত হতে পারে, যা গর্ভধারণ বা রোগের সংক্রমণের জন্য যথেষ্ট। তাই নিরাপদ থাকতে শুরু থেকেই কন্ডোম ব্যবহার করা শ্রেয়।

৪. গুণগত মান নিয়ে আপস: কথায় আছে, ‘সস্তার তিন অবস্থা’। নামহীন বা সস্তা কোম্পানির কন্ডোম অনেক সময় নিম্নমানের রাবার দিয়ে তৈরি হয়, যা ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সবসময় পরিচিত ও জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের কন্ডোম ব্যবহার করা উচিত।

৫. লুব্রিকেন্টের ভুল ব্যবহার: মিলন সহজ করতে অনেকেই কন্ডোমের ওপর লোশন, ভ্যাসলিন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন। তেলজাতীয় এই পদার্থগুলো কন্ডোমের ল্যাটেক্স নষ্ট করে দেয় এবং তা ছিঁড়ে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করে। এক্ষেত্রে ওয়াটার-বেসড বা ভালো মানের লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা জরুরি।

সামাজিক জড়তা কাটিয়ে এই সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চললে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ ও যৌনবাহিত রোগ থেকে নিজেকে এবং সঙ্গীকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

You cannot copy content of this page