সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬Bengali News: (বাংলা সংবাদ) Latest News in Bangla
aajbanglanews.com

সেই সুপার কাপে আত্মবিশ্বাসী ব্রুজ়ো

প্রায় বারো বছর পর ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ঝুলিতে এসেছিল কোনও সর্বভারতীয় শিরোপা। ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ওডিশা এফসিকে ৩–২ হারিয়ে লাল–হলুদ শিবির সুপার কাপ জিতেছিল, আর সেই জয়ের আবেগে ডুবে গিয়েছিলেন তৎকালীন স্প্যানিশ কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। তারপর অনেক জল গড়িয়েছে। কুয়াদ্রাতের বিদায়ের পর দায়িত্ব নেন আরেক স্প্যানিশ কোচ, অস্কার ব্রুজ়ো। ঘটনাচক্রে, একই টুর্নামেন্ট—সুপার কাপ—হতে পারে অস্কারের অধীনে ইস্টবেঙ্গলের প্রথম বড় সাফল্যের মঞ্চ। আজ গোয়ার ফতোরদা স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব এফসি, যারা ম্যাচের আগে নিজেদের কৌশল আড়াল করতেই যেন অনুশীলন করেছে নির্জন স্থানে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

গ্রুপ পর্বে ইস্টবেঙ্গলের যাত্রা ওঠা–নামায় ভরা ছিল। প্রথম ম্যাচে ডেম্পোর বিরুদ্ধে জিততে পারেনি। এরপর চেন্নাইয়িন এফসিকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে জোরালো প্রত্যাবর্তন ঘটালেও মোহনবাগানের সঙ্গে আবারো ড্র করেছে। তবে সেই ম্যাচে খেলায় এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গলই। গ্রুপ পর্বের পর দীর্ঘ বিরতি থাকলেও দল কিন্তু বসে থাকেনি। খেলোয়াড়েরা ছুটি কাটিয়ে দ্রুত ফিরে এসে আবার প্রস্তুতিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। গোয়ার আবহাওয়ায় মানিয়ে নিতে দল আগেভাগেই সেখানে পৌঁছে যায় এবং সেখানেও টানা অনুশীলন চলে। এখন লক্ষ্য শুধু মাঠে নব্বই মিনিট ধরে সেরা ফুটবল তুলে ধরা।

নতুন ভাবনায় এগোতে চান কোচ অস্কার। বুধবার তিনি গোয়ায় বলেছেন, “আমরা ইতিবাচক মনোভাব নিয়েই মাঠে নামব। মরশুমের শুরু থেকেই আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো ফুটবল খেলছি। অপেক্ষার বিরতি থাকা সত্ত্বেও যথেষ্ট পরিশ্রম করেছি। দলে সমন্বয় তৈরি হয়েছে, চোট–আঘাতও খুব একটা নেই। আমরা প্রস্তুত।” যদিও ডিফেন্ডার জয় গুপ্তাকে না পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগকে পরীক্ষা দেবে পাঞ্জাবের রক্ষণ। গ্রুপ পর্বে একটি গোলও হজম করেনি পাঞ্জাব। ইস্টবেঙ্গলের মতো তারাও পাঁচ বিদেশিকে নিয়ে খেলবে। সম্প্রতি নাইজিরিয়ান উইঙ্গার বেদে আমারাচি অসুজিকে দলে নিয়ে আরও শক্তি বাড়িয়েছে তারা। আয়োজকদের নির্ধারিত মাঠে অনুশীলন না করে নিজেদের নির্বাচিত জায়গায় ট্রেনিং করে পাঞ্জাব স্পষ্ট জানিয়েছে—সেমিফাইনালের আগে কোনও কৌশল ফাঁস করতে রাজি নয়। ইস্টবেঙ্গলকে বিশেষ নজর রাখতে হবে তাদের দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়—নসুঙ্গুসি এফিয়ং ও বসনিয়ার মিডফিল্ডার সামির জেলস্কোভিচের উপর।

You cannot copy content of this page