সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬Bengali News: (বাংলা সংবাদ) Latest News in Bangla
aajbanglanews.com

‘ধুরন্ধর’ রণবীরের দেশাত্মবোধ নিয়ে সমালোচনার ঝড়

বক্স অফিসে ঝড় তুলছে ‘ধুরন্ধর’ (Dhurandhar)। দেশজুড়ে ছবিটি নিয়ে উন্মাদনার মাঝেই বিতর্কের কেন্দ্রে এসে পড়েছেন হৃতিক রোশন। রণবীর সিং ও অক্ষয় খান্নার দুরন্ত অভিনয়ের প্রশংসা করলেও ছবির উপস্থাপনা ও পরিচালক আদিত্য ধরের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই অভিনেতাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র নিন্দা। হৃতিক পরে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করার চেষ্টা করলেও নেটিজেনদের ক্ষোভ কমেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় চলেছে মিম, কটাক্ষ, এমনকি রসিকতা করে কেউ কেউ লিখেছেন— “হৃতিকের ইনস্টাগ্রামের পাসওয়ার্ড প্রেমিকা সাবা আজাদের কাছে, না কি প্রাক্তন কঙ্গনা রানাউতের কাছেই থাকে?”

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এমন বিতর্কের সূত্রপাত ঠিক কীভাবে? বর্তমানে ‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্যের জোয়ারে কাবু দেশ। আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবি বক্স অফিসে রীতিমতো রেকর্ড গড়ছে—ভারতীয় বাজারে ২০০ কোটির কাছাকাছি এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার ব্যবসা ইতিমধ্যেই করেছে। দক্ষিণী ছবির আধিপত্যের সময়ে হিন্দি ছবির এই অসাধারণ দৌড় বলিউডের জন্য বড় প্রাপ্তি। সেই কারণেই ইন্ডাস্ট্রির বহু তারকা ছবিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এমন পরিবেশেই হৃতিক রোশনের রিভিউ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

নিজের প্রথম পোস্টে হৃতিক লিখেছিলেন, “আমি সিনেমাকে ভালোবাসি। আরও ভালোবাসি সেই সব নির্মাতাদের, যারা গল্পকে প্রাধান্য দেন। ‘ধুরন্ধর’ সে রকমই। গল্প যে ভাবে পর্দায় ফুটে উঠেছে, তা অসাধারণ।” কিন্তু এর পরেই তিনি যোগ করেন, “ছবির রাজনৈতিক ব্যাখ্যার সঙ্গে আমি একমত নই। কারণ একজন চলচ্চিত্রকারের বিশ্বব্যাপী দর্শকদের প্রতি কিছু দায়িত্ব থাকে। সেই জায়গায় আমি আলাদা কথা বলতে পারি। তবে শিক্ষার জায়গা থেকে ‘ধুরন্ধর’ একটি দারুণ অভিজ্ঞতা।”

এই মন্তব্যই উসকে দেয় বিতর্ক। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ—হৃতিক নাকি নির্মাতাদের দেশাত্মবোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ লেখেন, “হৃতিক জাতীয়তার বিরোধিতা করছেন।” সমালোচনা তুঙ্গে উঠতেই হৃতিক দ্বিতীয় একটি পোস্ট করেন, যেখানে তিনি পরিপূর্ণভাবে পরিচালকের প্রশংসা করেন—“আদিত্য, তুমি অসাধারণ। এখনও ছবির প্রভাব কাটছে না। রণবীরের অভিনয় দুর্দান্ত, আর অক্ষয় খান্না তো বরাবরই আমার পছন্দের অভিনেতা—এই ছবিই তার প্রমাণ।”

তবে দ্বিতীয় পোস্টও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। বরং এর পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে রসিকতা—“কটাক্ষের ভয়ে হঠাৎ মত পাল্টে ফেললেন!” কেউ আবার ঠাট্টা করে বলছেন—“নিজের সোশ্যাল মিডিয়া কি তিনি আদৌ নিজে চালান?”

You cannot copy content of this page