বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)বয়সের ৮০-এর কোঠা দীর্ঘ সময় ধরে ছাড়লেও তিনি কখনোই বয়সকে নিজের সীমাবদ্ধতা হতে দেননি। আজও নিয়মিত অভিনয় ও অন্যান্য কাজে সক্রিয় থাকা এই মহা অভিনেতার জীবন প্রমাণ করে যে, বয়স তাঁর উদ্যমকে ঠেকাতে পারেনি। ছয় দশক আগে বড়পর্দা থেকে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হলেও, অমিতাভ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শুধু সিনেমাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। তিনি টেলিভিশন, থিয়েটার, শো, এমনকি ডিজিটাল মাধ্যমেও সমানতালে কাজ করে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তার টেলিভিশন শো ‘কেবিসি’ দেশের দর্শকদের কাছে আজও অত্যন্ত জনপ্রিয়। কিন্তু বিভিন্ন মাধ্যমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে গিয়ে অমিতাভ জানিয়েছেন, তিনি কখনো ক্লান্ত বা সীমিত মনে হলেও নিজেকে নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য মানিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁর ব্লগে তিনি প্রকাশ করেছেন, নতুন নতুন মিডিয়ার পরিবর্তিত সংস্কৃতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলা সহজ ছিল না। প্রতি নতুন মাধ্যমের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, নিজেকে সেই পরিবেশের সঙ্গে একাত্ম করে তোলা, সময় এবং প্রচেষ্টা দেবে – এমনটাই তিনি অনুভব করেছেন।
অভিনেতা বলেন, তিনি সবসময় চেষ্টা করেছেন এই বদলকে নিজের অংশ করে নিতে। তবে সেই চেষ্টা করাও যে কঠিন ছিল, তা তিনি মেনে নিয়েছেন। তিনি অনুভব করেছেন, প্রতিটি নতুন চ্যালেঞ্জ এবং নিজেকে মানিয়ে নেওয়া প্রক্রিয়া কখনো সহজ ছিল না। তবু তিনি এই অভিজ্ঞতাকে নিজের জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
তাঁর সেই আন্তরিক প্রকাশে একটি আক্ষেপও প্রকাশ পায়। অমিতাভ মনে করেন, যদি তিনি আগে থেকেই এই পরিবর্তনশীল পরিবেশ এবং নতুন মাধ্যমের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার কৌশল জানতেন, তা হয়তো আরও সুবিধাজনক হতো। তাঁর এই মনোভাব প্রমাণ করে, তিনি সবসময় নতুন কিছু শিখতে এবং নিজেকে সময়ের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে প্রস্তুত। বয়সের ভার কখনোই তাঁকে থামাতে পারেনি, বরং নতুনত্ব এবং চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মধ্যে তিনি আজও সক্রিয়। অমিতাভ বচ্চনের এই দৃঢ়তা এবং শেখার মনোভাবই তাঁকে ছয় দশক ধরে বিনোদন জগতে অমর করে রেখেছে।