২০২৬ সালের অস্কারে পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবির বাছাইপর্বে পনেরোটি ছবির মধ্যে ইতিমধ্যেই শর্টলিস্টেড হয়েছে ঈশান খট্টরের( Ishaan Khatter)ছবি ‘হোমবাউন্ড’। এই বড় সাফল্যকে উদযাপন করতে কলকাতায় সফর করেন অভিনেতা। শহরে পৌঁছেই তাঁকে দেখা যায় এক ফ্যাশন শোতে শো-স্টপার হিসেবে। এই শহরের সঙ্গে ঈশানের কেরিয়ারের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কারণ এখানেই শুরু হয়েছিল তাঁর ফিল্মি যাত্রা। ‘ধড়ক’ ছবিতে জাহ্নবী কাপুরের সঙ্গে কাজ করে প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জন করেছিলেন তিনি। সেই শহরে ফের ফ্যাশন শোয়ে অংশ নেওয়ায় তাঁর অনুভূতি ছিল একেবারে স্পেশাল।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!গঙ্গাবক্ষে আয়োজিত শোয়ে ঈশান দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। তিনি শো-এফের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, “খুবই ভালো লাগছে। এটি আমার দ্বিতীয় ফ্যাশন শো এখানে। আবহাওয়া, ভেন্যু সবকিছু মিলিয়ে একটা অনন্য পরিবেশ তৈরি করেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “অনামিকা খানের ডিজাইন করা পোশাকটি ভীষণ মানিয়েছে। খুব কম সময়ে আমি এই পোশাকে প্রস্তুত হতে পেরেছি। এই লুকে নিজেকে কখনও কবি, কখনও যোদ্ধা মনে হয়েছে। এমন সাজপোশাক আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়, আর তাই আনন্দ আরও বেশি।” ঈশান আরও বলেন, তিনি তাঁর আজকের লুক ভীষণ পছন্দ করেছেন।
কলকাতার খাবারের প্রতি ঈশানের অনুরাগও বিশেষ। বেগুন ভাজা, বিভিন্ন মাছের পদ—কলকাতায় পৌঁছলেই তিনি এগুলো চেখে দেখতে ভোলেন না। ফ্যাশন শোয়ের পাশাপাশি এই শহরের স্বাদও তাঁর ভ্রমণকে সমৃদ্ধ করেছে।
‘হোমবাউন্ড’ ছবির প্রসঙ্গে ঈশান বলেন, “আমার কেরিয়ারের জন্য এটি এক পরমপ্রাপ্তি। দেশের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবি যেন ভারতীয় মাটির গন্ধ বহন করে। এই বাছাইপর্বে জায়গা করা সত্যিই গর্বের। আমরা আশা করি, ছবির মাধ্যমে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে এবং আন্তর্জাতিকভাবে ভারতীয় বিনোদনের মান প্রমাণ করতে পারব।” তিনি যোগ করেন, “আমরা আমাদের সবটুকু দেব যাতে এই চলচ্চিত্র সারা বিশ্বের কাছে ভারতের সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক মর্যাদা তুলে ধরতে পারে।”
মোটের ওপর, কলকাতার ফ্যাশন শো, স্থানীয় খাবারের প্রতি মমতা, এবং ‘হোমবাউন্ড’-এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি—সব মিলিয়ে ঈশানের ২০২৫-২০২৬ সালের যাত্রা কেরিয়ার ও ব্যক্তিগতভাবে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে উঠেছে।