মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬Bengali News: (বাংলা সংবাদ) Latest News in Bangla
aajbanglanews.com

নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয় হোক স্মরণীয়

নতুন বছরের শুরুতে ভোরের প্রথম আলোর সাক্ষী থাকতে চান? পাহাড়ের চূড়া, সমুদ্রের নীল জলরাশি কিংবা মরুভূমির ধূসর প্রান্তর—ভারতের এই তিনটি স্থানে সূর্যোদয় (Sunrise) দেখার অভিজ্ঞতা আপনার স্মৃতিতে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

১. মুন্সিয়ারি (উত্তরাখণ্ড): হিমালয়ের কোলে অবস্থিত পিথোরাগড় জেলার এই সাজানো শৈলশহরটি ‘পঞ্চচুল্লি’ শৃঙ্গের পাদদেশে অবস্থিত। লোককথা অনুযায়ী, পাণ্ডবদের স্বর্গযাত্রার পথে দ্রৌপদী এই পাঁচটি শৃঙ্গে তাঁদের জন্য রান্না করেছিলেন। মেঘমুক্ত সকালে যখন উদীয়মান সূর্যের প্রথম কিরণ বরফাবৃত পঞ্চচুল্লির ওপর পড়ে, তখন মনে হয় যেন পাঁচটি শৃঙ্গেই আগুন জ্বলছে। এই দৃশ্য সত্যিই অপার্থিব।

  • যাতায়াত: হাওড়া থেকে বাঘ এক্সপ্রেসে কাঠগোদাম নেমে সেখান থেকে গাড়িতে মুন্সিয়ারি যাওয়া যায়। পথে আলমোড়া বা চৌকোরিতে একরাত কাটিয়ে নেওয়া আরামদায়ক।

২. কন্যাকুমারী (তামিলনাড়ু): ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত কন্যাকুমারী, যেখানে আরব সাগর, বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগর মিলিত হয়েছে। এখানকার সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যোদয় দেখা এক স্বর্গীয় অনুভূতি। অন্ধকারের বুক চিরে যখন রক্তিম সূর্য সাগরের জলরাশি ফুড়ে বেরিয়ে আসে, তখন আকাশের রঙের খেলা দেখে মুগ্ধ হতে হয়। এখানকার বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল ও প্রাচীন মন্দির দর্শন আপনার ভ্রমণকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

  • যাতায়াত: কলকাতা থেকে সরাসরি ট্রেনে কন্যাকুমারী যাওয়া যায়। অথবা বিমানে তিরুঅনন্তপুরম পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে যাওয়া সম্ভব।

৩. নুব্রা ভ্যালি (লাদাখ): লেহ-লাদাখের শীতল মরুভূমি হুন্ডারের বালিয়াড়ি থেকে সূর্যোদয় দেখার অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা। ভোরের নরম আলো যখন ধূসর পাহাড়ের খাঁজে আর বালির ঢিবিতে এসে পড়ে, তখন চারপাশ এক মায়াবী ও শান্ত রূপ ধারণ করে। আকাশচুম্বী পাহাড় আর মরুভূমির এই মেলবন্ধন বিরল।

  • যাতায়াত: বিমানে লেহ পৌঁছে উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে দু-দিন বিশ্রাম নিন। তারপর সেখান থেকে গাড়িতে নুব্রা ভ্যালি।

নতুন বছরের সূচনায় প্রকৃতির এই অপরূপ পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করতে এই তিন ঠিকানার যেকোনো একটিকে বেছে নিতে পারেন। প্রতিটি জায়গাই আপনাকে দেবে এক নতুন সজীবতা ও প্রাণের স্পন্দন।

You cannot copy content of this page