শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬Bengali News: (বাংলা সংবাদ) Latest News in Bangla
aajbanglanews.com

অর্গাজম নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়!

যৌনতা এক অনন্য অনুভূতি, যেখানে শরীর ও মনের মেলবন্ধনে তৈরি হয় এক ছন্দ। তবে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, সঙ্গীকে সুখী করার তাগিদে মহিলারা নিজের অজান্তেই নিজের সুখানুভূতিকে অবহেলা করেন। ফলে ‘অর্গ্যাজম’ (Orgasm) বা যৌনতার চরম তৃপ্তি অনেকের কাছেই অধরা থেকে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজের শরীরে সুখের ঝরনা বইয়ে দিতে প্রয়োজন শরীর সম্পর্কে সঠিক ধারণা এবং সঙ্গীর সঙ্গে সুস্থ যোগাযোগ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিজের শরীরকে চেনা: সুখের প্রথম চাবিকাঠি যৌনসুখ পেতে হলে প্রথমেই নিজের শরীরের সংবেদনশীল অংশগুলো সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। যেমন—ক্লিটোরিস বা ভগ্নাঙ্কুর হলো নারীর যৌনতার কেন্দ্রবিন্দু। এর বাইরে ও ভেতরের অংশ স্পর্শের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। মনে রাখতে হবে, ক্লিটোরিসের অভ্যন্তরীণ গঠনটি ইংরেজি ‘Y’ অক্ষরের মতো। স্বমেহনের সময় বা মিলনের সময় যোনির উপরের ভেতরের দেওয়ালে পেটের দিকের অংশে মনোযোগ দিলে দ্রুত উত্তেজনা অনুভব করা সম্ভব। শরীরের কোথায় স্পর্শ করলে বেশি ভালো লাগে, তা নিজেকেই অন্বেষণ করতে হবে।

সঙ্গীর সঙ্গে স্পষ্ট যোগাযোগ সুখী যৌনজীবনের অন্যতম প্রধান বাধা হলো সংকোচ। অধিকাংশ নারীই নিজের ইচ্ছার কথা সঙ্গীর কাছে পরিষ্কার করে বলতে পারেন না। অথচ সিনেমা বা গল্পে যেমন দেখানো হয়, বাস্তব যৌনতা তার চেয়ে অনেক আলাদা। সঙ্গমের সময় কোন পজিশনে বা কোন কোণে ঘর্ষণ সবথেকে বেশি সুখকর হচ্ছে, তা সঙ্গীকে জানানো অত্যন্ত জরুরি। প্রয়োজনে ইশারা বা শরীরী ভাষার সাহায্য নিয়ে সঙ্গীকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া যেতে পারে।

মনঃসংযোগ নিজের ওপর মিলনের সময় সঙ্গীর তৃপ্তির কথা ভেবে দুশ্চিন্তা না করে নিজের অনুভূতির ওপর ফোকাস করা উচিত। শরীরী খেলার সময় নিজের অবস্থান এমনভাবে ঠিক করুন যাতে পুরুষাঙ্গ যোনির সংবেদনশীল অংশগুলোকে উদ্দীপ্ত করতে পারে। প্রয়োজনে হাত দিয়ে সঠিক অবস্থানে তা ধরে রেখে ঘর্ষণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

পরিশেষে, যৌনতা কোনো একতরফা দায়িত্ব নয়, বরং এটি পারস্পরিক আনন্দের লেনদেন। সংকোচ ঝেড়ে ফেলে নিজের শরীরের চাহিদা বুঝে নিয়ে তা সঙ্গীর কাছে প্রকাশ করলেই যৌন জীবনে আড়ষ্টতা কাটবে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো মাথায় রাখলে অর্গ্যাজম আর বিরল অভিজ্ঞতা থাকবে না, বরং শরীর জুড়ে বয়ে যাবে অনাবিল প্রশান্তি।

You cannot copy content of this page