মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬Bengali News: (বাংলা সংবাদ) Latest News in Bangla
aajbanglanews.com

একদিকে নদী, অন্যপাশে পাহাড়!

শীতের ছোট ছুটিতে হুটহাট বেড়িয়ে পড়ার জন্য বেছে নিতে পারেন এমন ৩টি গন্তব্য, যেখানে নদী, পাহাড় আর অরণ্যের মেলবন্ধন আপনার ক্লান্তি দূর করে দেবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

১. লুলুং (ওড়িশা): ওড়িশার সিমলিপাল জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন এই স্থানটি ছবির মতো সুন্দর। অরণ্যের বুক চিরে বয়ে চলেছে লুলুং-পলপলা নদী। এখানকার লাল পাথুরে মাটি আর বুনো পরিবেশে শীতের ঝরা পাতার দৃশ্য অনন্য। লুলুং থেকে সহজেই সীতাকুণ্ড, উস্কি ও চাউলভাজা জলপ্রপাত ঘুরে নেওয়া যায়। জাতীয় উদ্যানে প্রবেশের অনুমতি থাকলে দেখে নিতে পারেন বরহিপানি ও জোরান্ডা জলপ্রপাতও। কলকাতা থেকে ২৪৪ কিমি দূরে অবস্থিত এই স্থানে পৌঁছাতে ঘণ্টা ছয়েক সময় লাগে। থাকার জন্য এখানে আধুনিক রিসর্ট ও বনবিভাগের গেস্ট হাউস রয়েছে।

২. কৈখালি (দক্ষিণ ২৪ পরগনা): কলকাতার খুব কাছেই নদী আর ম্যানগ্রোভের স্বাদ নিতে ঘুরে আসুন কৈখালি। মাতলা ও নিমানিয়া নদীর সঙ্গমস্থলের এই বাদাবন এক শান্ত ও নির্জন পরিবেশ তৈরি করে। এখান থেকে খুব সহজেই ঝড়খালি গিয়ে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পুনর্বাসন কেন্দ্র দেখে আসা যায়। কৈখালি যাওয়ার পথে নিমপীঠ রামকৃষ্ণ আশ্রম ও সেখানকার মার্বেল মন্দিরটি প্রশান্তি জোগাবে। শিয়ালদহ থেকে জয়নগর হয়ে অটোয় বা সরাসরি গাড়িতে তিন ঘণ্টায় এখানে পৌঁছানো সম্ভব। মাতলার ধারেই থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে সুন্দর যুব আবাস।

৩. বালিচুয়া ও চিটিপাহাড় (ঝাড়গ্রাম): নির্জন গ্রাম্য পরিবেশ আর পাহাড়ের ছোঁয়া পেতে পশ্চিম মেদিনীপুরের বালিচুয়া সেরা ঠিকানা। বেলপাহাড়ির ভিড় এড়িয়ে ঢেউখেলানো টিলায় ঘেরা এই গ্রামটি আপনাকে পুরনো দিনের স্নিগ্ধতা ফিরিয়ে দেবে। বালিচুয়া থেকে সামান্য হেঁটে চিটিপাহাড়ের মাথায় উঠে সূর্যাস্ত দেখার অভিজ্ঞতা অতুলনীয়। হাতে সময় থাকলে ঝাড়গ্রামের কাছেই পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা গাড়রাসিনী পাহাড়, ঘাঘরা জলপ্রপাত ও তারাফেনি জলাধার দেখে নিতে পারেন। হাওড়া থেকে ট্রেনে ঝাড়গ্রাম বা চাকুলিয়া নেমে সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়।

এই তিনটি জায়গাই ২-৩ দিনের ছোট ছুটির জন্য আদর্শ। ব্যক্তিগত গাড়ি হোক বা ট্রেন-বাস, প্রতিটি গন্তব্যই সুগম এবং থাকার জন্য রয়েছে মনোরম হোমস্টে বা রিসর্ট।

You cannot copy content of this page