যৌনকেশ বা পিউবিক হেয়ার (Pubic Hair) রাখা বা না রাখা—এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত রুচি এবং সঙ্গীর পছন্দের ওপর নির্ভর করে। তবে এই বিষয়টি নিয়ে যৌন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কৌতূহল ও মতভেদের শেষ নেই। সম্প্রতি এক মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে, যৌনকেশ কেবল শারীরিক বৈশিষ্ট্যই নয়, বরং এটি সঙ্গমের আনন্দ ও সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সমীক্ষা ও বিশেষজ্ঞদের মতামত: অধিকাংশ পুরুষ ও মহিলার মতে, যৌনকেশ সঙ্গমের মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। বিশেষজ্ঞরা এর সপক্ষে বেশ কিছু যুক্তি তুলে ধরেছেন:
-
স্বাভাবিকতা ও তীব্রতা: যৌনতা যতটা স্বাভাবিক বা ‘ন্যাচারাল’ হয়, তার তীব্রতা তত বৃদ্ধি পায়। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, গোপন অঙ্গ পুরোপুরি লোমহীন হলে তা কিছুটা কৃত্রিম মনে হতে পারে। সঙ্গীকে তার স্বাভাবিক রূপে পাওয়া যৌন আকাঙ্ক্ষাকে আরও উসকে দেয়।
-
যৌনরোগ প্রতিরোধ: যৌনকেশ প্রাকৃতিকভাবে একটি সুরক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত যৌনকেশ পুরোপুরি কামিয়ে (shave) ফেললে ত্বকে ছোট ছোট ক্ষত হতে পারে, যা থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। এটি সরাসরি ত্বকের ঘর্ষণজনিত সংক্রমণ ও যৌনরোগ আটকাতে সাহায্য করে।
-
আর্দ্রতা রক্ষা ও সুরক্ষা: গোপন অঙ্গের আর্দ্রতা বজায় রাখতে যৌনকেশ সহায়ক। এছাড়া, সঙ্গমের সময় ঘর্ষণের ফলে ত্বকে যে জ্বালা বা ফুসকুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যৌনকেশ একটি কুশনের মতো কাজ করে সেই আঘাত থেকে রক্ষা করে।
পরিচ্ছন্নতা ও সতর্কতা: তবে যৌনকেশ রাখার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সবচেয়ে জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি কেউ ওরাল সেক্স পছন্দ করেন, তবে বড় লোম অস্বস্তির কারণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে পুরোপুরি পরিষ্কার না করে ‘ট্রিম’ বা ছোট করে ছেঁটে রাখা একটি ভালো বিকল্প। এতে স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং রোমান্টিকতা—উভয়ই বজায় থাকে।
যৌনকেশ রাখা বা না রাখার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি। আপনি এবং আপনার সঙ্গী যে পদ্ধতিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, সেটিই আপনাদের সম্পর্কের জন্য শ্রেষ্ঠ।