সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬Bengali News: (বাংলা সংবাদ) Latest News in Bangla
aajbanglanews.com

শীতের কড়াইশুঁটি সবার জন্য নয়

শীতের মৌসুমে কড়াইশুঁটি (Peas) বাঙালির রান্নাঘরের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রোটিন, ভিটামিন এবং ফাইবারে সমৃদ্ধ এই সবুজ সব্জিটি কেবল স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও অনন্য। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও পলিফেনল ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। তবে পুষ্টির ভাণ্ডার হওয়া সত্ত্বেও কড়াইশুঁটি সবার শরীরের জন্য সমান উপকারী নয়। নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক সমস্যায় এটি এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

কারা কড়াইশুঁটি খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন?

  • ইউরিক অ্যাসিড ও বাতের ব্যথা: কড়াইশুঁটিতে ‘পিউরিন’ নামক উপাদান থাকে, যা শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে যাঁদের ইউরিক অ্যাসিড আগে থেকেই বেশি বা গেঁটে বাতের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য কড়াইশুঁটি যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে।

  • কিডনির সমস্যা: ক্রনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য অতিরিক্ত প্রোটিন অনেক সময় বিপদের কারণ হয়। কড়াইশুঁটিতে প্রোটিনের মাত্রা বেশি থাকায় এটি কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে কিডনিতে পাথর থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি খাওয়া উচিত নয়।

  • পেটের সমস্যা ও গ্যাস-অম্বল: কড়াইশুঁটিতে লেকটিন ও ফাইটিক অ্যাসিড থাকে, যা শরীরের পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়। যাঁদের প্রায়ই পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা হয়, তাঁদের ডায়েটে কড়াইশুঁটি না রাখাই ভালো।

  • রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া: কড়াইশুঁটির ফাইটিক অ্যাসিড শরীরকে আয়রন ও জ়িঙ্ক শোষণে বাধা দেয়। তাই যাঁদের শরীরে হিমোগ্লোবিন কম বা রক্তাল্পতা রয়েছে, তাঁদের নিয়মিত কড়াইশুঁটি খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

  • অ্যালার্জি: যদিও এই সমস্যা খুব কম মানুষের হয়, তবুও কারও কারও ক্ষেত্রে কড়াইশুঁটি খেলে ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি বা শ্বাসকষ্টের মতো অ্যালার্জিজনিত লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

পরিশেষে বলা যায়, সুস্থ মানুষের জন্য কড়াইশুঁটি অত্যন্ত পুষ্টিকর হলেও, উপরোক্ত সমস্যাগুলো থাকলে এটি পরিমিত পরিমাণে অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খাওয়া উচিত।

You cannot copy content of this page