নতুন সম্পর্কের উত্তেজনা, বিয়ের পরে প্রথম দিকের মধুর দিনগুলি কিংবা মধুচন্দ্রিমার (Honeymoon) অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে দাম্পত্যের শুরুর সময়টা থাকে এক বিশেষ রোমাঞ্চে ভরা। সেই সময় দু’জন মানুষ নিজেদের নতুনভাবে খুঁজে পান, একে অপরের প্রতি টানও থাকে তুঙ্গে। তবে অনেকেই মনে করেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কে নাকি ধীরে ধীরে কমে যায় উষ্ণতা ও ঘনিষ্ঠতা। কিন্তু আসলে সঠিক কিছু অভ্যাস বজায় রাখলে দাম্পত্যজীবনে সেই মধুচন্দ্রিমার মোহ বারবার ফিরে আসতে পারে এবং সম্পর্কে শীতলতা ঢোকার সুযোগই থাকে না।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!প্রথমত, দাম্পত্যে কোনোভাবেই দূরত্ব তৈরি হতে দেওয়া উচিত নয়—তা শারীরিক হোক বা মানসিক। সোশ্যাল মিডিয়া, কাজের ব্যস্ততা বা ভুল বোঝাবুঝি কখনোই সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা কথোপকথনের জায়গা দখল করে নিতে পারে না। তাই সুযোগ পেলেই বিয়ের প্রথম রাত বা মধুচন্দ্রিমার স্মৃতিগুলো নিয়ে হাসি-ঠাট্টা ও আলোচনা করুন। এসব ছোট মুহূর্তই সম্পর্কে উষ্ণতাকে জীবন্ত রাখে।
এছাড়া রোজকার ব্যস্ততার মধ্যেও সঙ্গীকে আলিঙ্গন বা চুম্বনে ভালোবাসা প্রকাশ করতে ভুললে চলবে না। প্রতিদিন যৌনতায় মেতে ওঠা জরুরি নয়, কিন্তু দিনের অন্তত একবার তাকে পরম স্নেহে জড়িয়ে ধরলে আবেগী সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।
যৌন বিশেষজ্ঞদের মতে, কখনো কখনো দীর্ঘ সম্পর্কের পরে পরিচিত শরীরে নতুনত্ব কমে যায়, ফলে উত্তেজনাও কমতে পারে। ঠিক তখনই দু’জনের সম্মতিতে নতুন কোনো কৌশল বা ভিন্ন অভিজ্ঞতার চেষ্টা করা যেতে পারে। অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, যেন দু’জনই স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।
একই বিছানা বা একই পরিবেশও অনেক সময় একঘেয়ে লাগতে পারে। তাই মাঝে মাঝে ঘর বদল করা বা ঘরের অন্য কোনো আরামদায়ক জায়গা বেছে নেওয়াও সম্পর্ককে নতুনত্ব দেয়।
আরেকটি সাধারণ অভ্যাস—শুতে গিয়ে মোবাইলে ডুবে থাকা—দাম্পত্যে অবহেলার অনুভূতি তৈরি করতে পারে। এর বদলে রাতের ব্যক্তিগত সময়টুকু একে অপরের জন্য রাখুন। কথা বলুন, অনুভূতি ভাগ করুন, কাছাকাছি বসুন—এগুলো সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ীভাবে উষ্ণ রাখে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যৌনতা কোনো বাধ্যতামূলক কাজ নয়। নিয়ম করে প্রতিদিন না করলেই বরং স্বাভাবিকতার ধারায় আনন্দ বাড়ে। যেদিন দু’জন মিলিত হতে চান, সেদিন সঙ্গী কতটা উপভোগ করছেন, তার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিন। এতে দাম্পত্যের প্রেম, উষ্ণতা এবং ঘনিষ্ঠতা দীর্ঘদিন অটুট থাকে।