অস্ট্রেলিয়ার ২৭ বছর বয়সী অ্যাডাল্ট ফিল্ম স্টার অ্যানি নাইট (Annie Knight) সম্প্রতি এক অকল্পনীয় এবং দুঃসাহসী চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। মাত্র ৬ ঘণ্টায় ৫৮৩ জন পুরুষের সঙ্গে উদ্দাম যৌনতায় লিপ্ত হয়ে তিনি নিজেকে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে যৌনভাবে সক্রিয় তরুণী হিসেবে দাবি করেছেন। তবে এই চরম শরীরী খেলার পর বর্তমানে তিনি গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার সম্মুখীন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!চ্যালেঞ্জ এবং তথাকথিত বিশ্বরেকর্ড অ্যানি দাবি করেছেন যে, তিনি প্রতি ঘণ্টায় গড়ে অন্তত ৯৭ জন পুরুষের সঙ্গে সঙ্গম করেছেন, যা তাঁর মতে একটি বিশ্বরেকর্ড। এই অসাধ্য সাধনের নেশায় তিনি নিজের শরীরের ওপর অমানুষিক ধকল নিয়েছিলেন। চ্যালেঞ্জ চলাকালীন তাঁর ঋতুস্রাব চললেও জন্মনিরোধক যন্ত্র (IUD) ব্যবহার করে তিনি এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যান। অ্যানির বিশ্বাস, এর আগে কেউ এত কম সময়ে এতজন সঙ্গীর সাথে মিলিত হতে পারেননি।
ভয়াবহ পরিণতি ও রক্তক্ষরণ রেকর্ড গড়লেও এর ফল মোটেও সুখকর হয়নি। একটি পডকাস্টে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে অ্যানি জানান, চ্যালেঞ্জ শেষ হওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রচণ্ড রক্তপাত শুরু হয়েছে। শরীরের স্পর্শকাতর অংশগুলো ক্ষতবিক্ষত হয়ে গিয়েছে এবং ব্যথায় তিনি কুঁকড়ে যাচ্ছেন। ধকল সইতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর ভক্তকুলের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
অনুরূপ ঘটনা ও ঝুঁকি অ্যানি নাইট একা নন, এর আগে পর্ন তারকা বনি ব্লু দাবি করেছিলেন যে তিনি ১২ ঘণ্টায় ১০৫৭ জন পুরুষের সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছেন। বনিকেও সেই সময় ভয়াবহ শারীরিক যন্ত্রণার শিকার হতে হয়েছিল। চিকিৎসকদের মতে, শরীরের স্বাভাবিক সহ্যক্ষমতার বাইরে গিয়ে এ ধরনের উন্মাদনা কেবল যৌনাঙ্গের ক্ষতিই করে না, বরং এটি জীবনঘাতী সংক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
পরিশেষে, জনপ্রিয়তার লোভে বা চ্যালেঞ্জের নেশায় শরীরের ওপর এহেন অত্যাচার আধুনিক সমাজে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অ্যানি নাইটের এই পরিণতি আবারও প্রমাণ করে দিল যে, কৃত্রিম রেকর্ড গড়ার চেয়ে শারীরিক সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অনেক বেশি জরুরি।