নতুন বছরের (New Year) শুরুতে নিজেকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার আনন্দে মেতে ওঠে আট থেকে আশি। ক্রিসমাস থেকে নিউ ইয়ার্স ইভ—প্রতিটি উৎসবেই স্টাইল স্টেটমেন্ট হিসেবে সোনা, রুপো এবং হিরের অলংকার আজও অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই বছরের ট্রেন্ড ও ফ্যাশন নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলের ভাবনা অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের এমডি ও সিইও শুভঙ্কর সেনের মতে, এ বছর সোনা ও রুপো কেবল অলংকার নয়, বরং শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবেও প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর মতে, বছর শেষের উৎসবে এই ধাতুর ঔজ্জ্বল্য আভিজাত্য ও ক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে। বর্তমানে স্টাইলের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ‘লং ড্যাংলার ইয়ারিং’ বা লম্বা ঝুলন্ত দুলের। স্লিভলেস গাউন বা ককটেল ড্রেসের সঙ্গে এই দুল মুখের আদলকে আরও তীক্ষ্ণ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রজন্মের কাছে ‘ল্যাব গ্রোন ডায়মন্ড’ অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যা ফ্যাশনের পাশাপাশি পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও দেয়।
বর্ষবরণের পার্টিতে আধুনিক লুক পেতে চোকার চেন, স্ট্যাক ব্যাঙ্গল এবং স্ট্যাক রিং (একাধিক আংটি বা চুড়ি একসঙ্গে পরা) এখন বিশেষ ট্রেন্ডে রয়েছে। এই সাহসী শৈলী ভিড়ের মাঝে আপনাকে আলাদা করে চিনিয়ে দেবে। অন্যদিকে, পি সি চন্দ্র জুয়েলারির জয়েন্ট এমডি শুভ্র চন্দ্রের মতে, সোনার উষ্ণতা আর রুপোর শীতল আভিজাত্যই উৎসবের মেজাজ তৈরি করে। শীতের ভারী পোশাকের সঙ্গে হিরের পেন্ডেন্ট, স্টাইলিশ ক্লিপস, কিংবা টাই পিন ও কলার পিন দারুণ মানিয়ে যায়।
পোশাক ও গয়নার সামঞ্জস্য: স্টাইলিংয়ের ক্ষেত্রে পোশাকের কাট ও রঙের গুরুত্ব অপরিসীম। কালো বা গাঢ় রঙের গাউনের সঙ্গে সোনার চোকার বা চওড়া দুল যেমন গ্ল্যামার বাড়ায়, তেমনই রূপোলি সিকুইন ড্রেসের সঙ্গে রুপোর মিনিমালিস্টিক গয়না অত্যন্ত মানানসই। যারা ইন্দো-ওয়েস্টার্ন বা ফিউশন পোশাক পরছেন, তাদের জন্য বড় মাপের স্টেটমেন্ট রিং হতে পারে সেরা পছন্দ। ঐতিহ্যবাহী শাড়ি বা লেহেঙ্গার সাথে ল্যাব গ্রোন ডায়মন্ডের নেকলেস আভিজাত্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটায়।
পরিশেষে বলা যায়, নিউ ইয়ার্স ইভের ফ্যাশনে গয়না কেবল সাজগোজের অনুষঙ্গ নয়, বরং তা আত্মবিশ্বাস এবং নতুন শুরুর উদযাপন। সোনা, রুপো আর হিরের এই শাশ্বত ঝিলিকেই বিদায় জানানো হোক পুরনো বছরকে, আর বরণ করে নেওয়া হোক নতুনকে।