দেবের পর এবার এসআইআরের শুনানির নোটিস পৌঁছাল তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর(Mimi Chakraborty) কাছেও। কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা মিমি শনিবার সকালে ওই নোটিস হাতে পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নোটিস অনুযায়ী, আগামী ৩১ জানুয়ারি তাঁকে শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মিমি চক্রবর্তী জানিয়েছেন, তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিপত্র রয়েছে এবং নির্ধারিত দিন ও সময়ে তিনি শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এদিকে একই দিনে এসআইআরের শুনানিতে হাজিরা দিতে দেখা যায় চণ্ডীতলার তিনবারের তৃণমূল বিধায়ক স্বাতী খন্দকারকেও। তিনি চাঁপদানি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। স্বাতী খন্দকারের পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচিতিও দীর্ঘদিনের—তাঁর স্বামী আকবর আলি খন্দকার একসময় সাংসদ ছিলেন এবং তাঁর বাবা দুর্গাচরণ দত্ত বৈদ্যবাটি পুরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন।
শুনানির পর স্বাতী খন্দকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিনি পরপর তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন এবং ভোটার পরিচয় সংক্রান্ত যাবতীয় বৈধ নথি তাঁর কাছে রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁকে ভোটার হওয়ার প্রমাণ দিতে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও এভাবে প্রমাণ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে—এই বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নন, সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও এসআইআর নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চণ্ডীতলারই একজন ভোটার, যিনি পেশায় আমেরিকায় কর্মরত একজন গবেষক, তাকেও এদিন শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন সংগ্রাম মল্লিক নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি। তিনি চুঁচুড়া থেকে বালি পর্যন্ত একা পদযাত্রা শুরু করেছেন। সংগ্রামবাবুর অভিযোগ, এসআইআরের কারণে সাধারণ মানুষ অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, যদি এত বছর পর সাধারণ ভোটারদের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়, তাহলে তাঁদের দ্বারা নির্বাচিত সরকারও প্রশ্নের মুখে পড়ে। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই এই সমস্যার স্থায়ী ও যুক্তিসংগত সমাধান হওয়া