Elephant attack
Dhupguri news ঘাস কাটতে গিয়ে হাতির মুখোমুখি Elephant attack। পালানোর সুযোগটুকুও পেলেন না ৫৯ বছরের বৃদ্ধ। দাঁতাল হাতির হামলায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল তাঁর। মঙ্গলবার বিকেলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ি ব্লকের গাড়োখুটা গ্রাম সংলগ্ন সোনাখালি বিটের গভীর জঙ্গলে (জিএইচ ২ কম্পার্টমেন্ট)। মৃতের নাম রাম কিশোর রায়। তবে এই মৃত্যুর জন্য বৃদ্ধের ‘অতিরিক্ত সাহস’ এবং অসতর্কতাকেই দায়ী করেছে বনদপ্তর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে বাড়ির গবাদি পশুর জন্য ঘাস কাটতে বের হয়েছিলেন রাম কিশোর বাবু।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তাঁর সঙ্গে আরও দুজন ছিলেন। ঘাস কাটতে কাটতে তাঁরা অজান্তেই জঙ্গলের অনেকটা গভীরে ঢুকে পড়েন। হঠাৎ সামনে একটি বিশাল দাঁতাল হাতি চলে আসে। হাতির আভাস পেয়ে বাকি দুজন প্রাণভয়ে দৌড়ে পালিয়ে বাঁচলেও, একদম সামনে পড়ে যাওয়ায় রাম কিশোর বাবুর পালানোর পথ বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষিপ্ত দাঁতালটি তাঁর বুকে দাঁত ঢুকিয়ে দিলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধের। খবর পেয়ে মোরাঘাট রেঞ্জ ও সোনাখালি বিটের বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
মোরাঘাট রেঞ্জের রেঞ্জার চন্দন ভট্টাচার্য জানান, “মৃত ব্যক্তির পাশে কেটে রাখা ঘাস পাওয়া গিয়েছে। গভীর জঙ্গলে ঢুকে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা। হাতির দাঁত বুকে ঢুকে যাওয়ায় তিনি আর বাঁচার সুযোগ পাননি।” এই ঘটনায় শোকের পাশাপাশি উদ্বেগের ছায়া নেমেছে রাম কিশোর রায়ের পরিবারে। দুই বছর আগেই তাঁর একমাত্র ছেলের মৃত্যু হয়েছে। বাড়িতে এখন শুধু বৃদ্ধা স্ত্রী একা। বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, যেহেতু ওই ব্যক্তি জঙ্গল আইন অমান্য করে ‘কোর এরিয়া’ বা গভীর জঙ্গলে ঢুকে গিয়েছিলেন, তাই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পরিবার কোনও ক্ষতিপূরণ পাবে না। বনকর্মীদের এই বক্তব্যে এলাকায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।