শীতের (Winter) হিমশীতল রাতে লেপ-কম্বলের আরামদায়ক ওম ছেড়ে বের হওয়া অনেকের কাছেই বেশ কঠিন। এই আলস্যের কারণে অনেক সময় দম্পতিদের যৌন জীবনে একঘেয়েমি চলে আসে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটু সচেতন হলে এই শীতকেও কামনার উষ্ণতায় রাঙিয়ে তোলা সম্ভব। শরীরকে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারলে শীতকালীন রতিক্রিয়া হয়ে উঠতে পারে আরও বেশি উপভোগ্য। নিচে এর কয়েকটি জাদুকরী কৌশল আলোচনা করা হলো:
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!১. পায়ের উষ্ণতা ও মোজা: মিলনের আনন্দ পূর্ণমাত্রায় উপভোগ করতে শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখা জরুরি। যৌনতার ক্ষেত্রে নারীর পায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শীতকালে পা সবার আগে ঠান্ডা হয়। তাই শোয়ার আগে দম্পতিরা পাতলা মোজা পরে নিতে পারেন। পায়ের উষ্ণতা বজায় থাকলে শীত কম অনুভূত হয়, যা শরীরের বাকি অংশে মিলনের উদ্দীপনা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
২. গরম পানীয়র ব্যবহার: মিলনের আগে এক কাপ গরম চা বা কফি পানের অভ্যাস শরীরকে ভেতর থেকে সতেজ করে। বিশেষ করে যদি ওরাল সেক্স বা মুখমেহনের পরিকল্পনা থাকে, তবে গরম পানীয়র কারণে ঠোঁট ও মুখের ভেতরে যে উষ্ণতা তৈরি হয়, তা সঙ্গীর শরীরে এক অভাবনীয় শিহরণ ও আরামদায়ক অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।
৩. সুগন্ধী চায়ের উদ্দীপনা: শারীরিক ঘনিষ্ঠতার আগে লবঙ্গ বা দারুচিনি দেওয়া সুগন্ধী চা পান করা যেতে পারে। এটি কেবল শরীরের জড়তা কাটায় না, বরং এর সুগন্ধ কামোত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। উষ্ণ ঠোঁটের স্পর্শ তখন সঙ্গীর কাছে আরও বেশি মাদকতাময় হয়ে ওঠে।
৪. স্পুনিং পোজিশন: কনকনে ঠান্ডায় যদি লেপের বাইরে বের হতে ইচ্ছে না করে, তবে ‘স্পুনিং’ পোজিশন হতে পারে সেরা বিকল্প। দুটি চামচ যেভাবে একটির পিঠে অন্যটি লেগে থাকে, ঠিক সেভাবেই সঙ্গীকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে ঘনিষ্ঠ হওয়াকে স্পুনিং বলে। এতে বিছানার চাদর বা কম্বল সরানোর প্রয়োজন পড়ে না এবং একে অপরের শরীরের ওমে দীর্ঘক্ষণ মিলন উপভোগ করা যায়।
৫. ঈষদুষ্ণ তেলের মালিশ: শীতের শুষ্কতায় ত্বকের কোমলতা ফেরাতে এবং সঙ্গীকে উত্তেজিত করতে ঈষদুষ্ণ তেলের মালিশ দারুণ কাজ করে। এটি কেবল ফোরপ্লে-র অংশ হিসেবেই নয়, বরং সঙ্গীর শরীরে রতিসুখের তীব্র আগ্রহ তৈরি করতেও কার্যকর। তেলের পিচ্ছিল ভাব ও উষ্ণ স্পর্শ মুহূর্তের মধ্যেই পরিবেশকে রোমান্টিক করে তোলে।
পরিশেষে, শীতের জড়তাকে জয় করে এই ছোট ছোট কৌশলগুলো অবলম্বন করলে আপনাদের দাম্পত্য জীবন হয়ে উঠবে আরও বেশি রঙিন ও মধুময়।