যুগলের যৌনতা (Intimacy) একটি স্বাভাবিক বিষয়, যা অনেকের কাছেই প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে ওঠে। তবে একটানা একই পরিবেশে (একই ঘর, একই বিছানা, একই শরীর) চলতে থাকলে কিছুদিনের মধ্যে একঘেয়েমি আসা স্বাভাবিক। এই কারণে অনেকে যৌনতা থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এই বিরতি আবার সম্পর্কের উষ্ণতা কমিয়ে দেয়, মনোমালিন্য সৃষ্টি করে এবং কখনও কখনও বিচ্ছেদের কারণও হতে পারে।
সম্পর্কে সেই উষ্ণতা ধরে রাখতে হলে যৌনতায় বৈচিত্র্য আনা প্রয়োজন। তাই একঘেয়ে বিছানার বদলে এবার চেয়ারেই মাতুন উদ্দাম শরীরী খেলায়। যৌনতার ক্ষেত্রে দু’জনের স্বাচ্ছন্দ্যই প্রধান। এর কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই; আপনারা যেভাবে আনন্দ পাবেন, সেভাবেই মাততে পারেন।
চেয়ারের প্রকারভেদ:
যৌনতায় মেতে ওঠার জন্য সঠিক চেয়ার নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।
কাঠের চেয়ার ব্যবহার করা যেতে পারে।
আরামকেদারা (Armchair)-ও ভালো বিকল্প হতে পারে।
মনে রাখবেন: এমন চেয়ার বাছুন, যা যথেষ্ট আরামদায়ক এবং যাতে বসে আপনি ও আপনার সঙ্গী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
যৌন পজিশন:
চেয়ারে বিভিন্ন পজিশনে যৌনতায় লিপ্ত হতে পারেন, যেমন:
‘আর্মচেয়ার লোটাস’
‘বোস্ট্রিং’
‘জিল’
যেকোনো পজিশন বেছে নেওয়ার আগে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কোনো অসুবিধা হচ্ছে কিনা, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। দু’জনের যৌনসুখ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।
চেয়ারে যৌনতার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
চেয়ারে শরীরী খেলায় মেতে ওঠার আগে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত:
জোর করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা নয়: যৌনতাকে রঙিন করে তুলতে অনেকেই নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। কিন্তু আপনারা দু’জনই যাতে খুশি হন, শুধু তাই করুন।
শারীরিক সমস্যা: কোমরে বা গাঁটে গাঁটে ব্যথার সমস্যা থাকলে চেয়ারের এই পজিশনগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। এতে শারীরিক সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
সঙ্গীর সম্মতি: বিছানার পরিবর্তে চেয়ারে আপনার বিপরীতের মানুষটিও যৌনতায় আগ্রহী কিনা, তা আগে ভালো করে জেনে নিন। জোর করলে তাঁর যৌনতা নিয়ে আরও বিরক্তি তৈরি হতে পারে।
প্রথম অভিজ্ঞতা: যদি প্রথমবারের অভিজ্ঞতা সুখকর না হয়, তবে দ্বিতীয়বার সেই পথে পা না বাড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
সম্পর্ককে সতেজ ও উষ্ণ রাখতে এই পরিবর্তন একটি দুর্দান্ত উপায় হতে পারে।