সম্পর্ককে সতেজ এবং রোমাঞ্চকর রাখতে একঘেয়েমি দূর করা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় দীর্ঘদিনের অভ্যস্ত যৌনজীবন (Intimacy) যান্ত্রিক হয়ে পড়ে, তাই প্রেমের জোয়ার ফিরিয়ে আনতে বেডরুমের চেনা নিয়মে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শারীরিক ঘনিষ্ঠতাকে কেবল বিছানায় সীমাবদ্ধ না রেখে নতুন নতুন নিরীক্ষা বা এক্সপেরিমেন্ট করলে সম্পর্কের মাধুর্য বহুগুণ বেড়ে যায়। সঙ্গীকে আরও কাছে পাওয়ার এবং যৌনজীবনকে উপভোগ্য করার ৫টি বিশেষ টিপস নিচে আলোচনা করা হলো:
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!১. স্থান পরিবর্তন ও নতুনত্ব: প্রতিদিন বেডরুমের চেনা পরিবেশে না থেকে ঘরের অন্যান্য জায়গা এক্সপ্লোর করুন। ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে টিভি দেখার ফাঁকে কিংবা বারান্দার নিভৃত কোণে ফোরপ্লের মাধ্যমে সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে পারেন। যদি বাড়িতে শুধু আপনারা দুজন থাকেন, তবে এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা তৈরি করবে।
২. রান্নাঘরে রোমান্স: হলিউডি সিনেমার মতো রান্নাঘরে যৌন মিলনের বিষয়টি শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও এটি বেশ রোমাঞ্চকর। তবে সেখানে লিপ্ত হওয়ার আগে নিরাপত্তা এবং জায়গার স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি নিশ্চিত করে নিন। রান্নার ফাঁকে হঠাত আলিঙ্গন বা চুম্বন সম্পর্কের একঘেয়েমি কাটাতে জাদুর মতো কাজ করে।
৩. শাওয়ার সেক্স বা যৌথ স্নান: সঙ্গীর সঙ্গে শাওয়ারের নিচে বা বাথটবে সময় কাটান। ভেজা শরীরের স্পর্শ এবং জলের শব্দ রোমান্সের উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়। স্নান করতে করতে একে অপরের সান্নিধ্য উপভোগ করা কেবল শরীর নয়, মনকেও সতেজ রাখে।
৪. পরিবেশ ও আলোকসজ্জা: যৌন মিলনের আনন্দ দ্বিগুণ করতে ঘরের পরিবেশের ওপর জোর দিন। সাধারণ লাইট নিভিয়ে চারিদিকে সুগন্ধি মোমবাতি জ্বালিয়ে দিতে পারেন। হালকা সুগন্ধ এবং মোমের মায়াবী আলো এক বিশেষ মোহনীয় পরিবেশ তৈরি করে, যা সঙ্গীকে আরও বেশি কামুক ও আবেগপ্রবণ করে তোলে।
৫. ফ্যান্টাসি ও সতর্কতা: অনেকের মনেই ডার্ক ফ্যান্টাসি বা খোলা আকাশের নিচে যৌনতার সুপ্ত ইচ্ছা থাকে। সিনেমা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে গাড়ির ভেতর বা অন্য কোনো রোমাঞ্চকর জায়গায় ঘনিষ্ঠ হওয়ার পরিকল্পনা করতেই পারেন। তবে মনে রাখবেন জীবন সিনেমা নয়, তাই এমন কোনো কাজ করবেন না যা আপনাদের গোপনীয়তা বা নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে।
পরিশেষে, যেকোনো নতুন নিয়ম ট্রাই করার আগে সঙ্গীর সম্মতির দিকে নজর দিন। পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং ছোট ছোট এই নতুনত্বই আপনাদের দাম্পত্য জীবনকে আরও মধুর করে তুলবে।