ভরা গরমে ঝালঝাল বা ভারী খাবারের কথা ভাবতেই পারেন না অনেকেই। তাই শীতকালই যেন খাওয়াদাওয়ার আসল মরশুম (Mushroom)। ঠান্ডার আমেজে রসিয়ে, কষিয়ে রান্না করতে ভালোবাসেন বহু মানুষ। কিন্তু শীত এলেই যে সবার মাছ-মাংস খেতে ইচ্ছে করবে, এমনটা নয়। যদি ইদানীং মাছ বা মাংসে অরুচি দেখা দেয়, তা হলে চিন্তার কিছু নেই। স্বাদ আর পুষ্টির দিক থেকে মাশরুম হতে পারে দারুণ বিকল্প। শীতের দিনে সহজ উপকরণে বানানো কয়েকটি মাশরুমের পদেই হয়ে উঠতে পারে জমাটি রসনাতৃপ্তি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!প্রথমেই রইল পালং মাশরুম। এই পদটি যেমন হালকা, তেমনই স্বাস্থ্যকর। এর জন্য প্রয়োজন হবে পরিমাণমতো মাশরুম, এক আঁটি পালং শাক, দুই টেবিল চামচ তেল, চার কোয়া রসুন, আধ চা চামচ শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো, আধ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো এবং স্বাদমতো নুন। প্রথমে মাশরুম ও পালং শাক কেটে ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে কুচনো রসুন দিন। রসুনের গন্ধ বেরোলে মাশরুম ও পালং শাক দিয়ে দিন। পালং শাক থেকে জল বেরোতে শুরু করলে আঁচ কমিয়ে কড়াই ঢেকে দিন। সবজি ভালোভাবে ভাজা হলে লঙ্কা গুঁড়ো, গোলমরিচ ও নুন দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।
এরপর আছে গার্লিক মাশরুম, যা শীতের সন্ধ্যায় চা বা কফির সঙ্গে দারুণ মানায়। এই রেসিপির জন্য লাগবে প্রয়োজনমতো মাশরুম, প্রায় ৫০ গ্রাম রসুন, সয়া সস, কর্নফ্লাওয়ার ও গোলমরিচ গুঁড়ো। মাশরুম ছোট টুকরো করে ধুয়ে নিন। রসুন বেটে একটি পাত্রে সয়া সস, গোলমরিচ ও সামান্য কর্নফ্লাওয়ারের সঙ্গে মেশান। এতে মাশরুম ভালো করে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এরপর তেলে ভেজে নিলেই তৈরি সুস্বাদু গার্লিক মাশরুম।
তৃতীয় পদটি মাশরুম পেপার ফ্রাই। এর জন্য প্রয়োজন মাশরুম, একটি পেঁয়াজ, একটি বড় ক্যাপসিকাম, তেল, নুন ও গোলমরিচ গুঁড়ো। মাশরুম ও ক্যাপসিকাম পাতলা করে কেটে ধুয়ে নিন। মাশরুম দশ মিনিট গরম জলে ভিজিয়ে রাখুন। কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ ভাজুন। এরপর মাশরুম ও ক্যাপসিকাম দিয়ে নুন দিন। ভাজা ভাজা হলে সয়া সস ও শেষে গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে নামিয়ে নিন।
শীতের সন্ধ্যায় এই মাশরুমের পদগুলো একবার বানিয়ে দেখতেই পারেন। স্বাদে যে মন ভরবে, তা বলাই বাহুল্য।