দূরত্বের সম্পর্কে শারীরিক নৈকট্যের অভাব মেটাতে ‘ফোন সেক্স’ (Phone Sex)বা ভার্চুয়াল রোমান্স বর্তমানে এক জনপ্রিয় মাধ্যম। বিশেষ করে ডেটিং অ্যাপের প্রসারের ফলে তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে মধ্যবয়সীরাও এই অভ্যাসে মেতে উঠছেন। মার্কিন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষা অনুযায়ী, ২৫-২৮ এবং ৪০-৪৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ফোন সেক্সের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, অতিরিক্ত ফোন সেক্স বা অসাবধানতা মানসিক চাপ এবং আইনি বিপদের কারণ হতে পারে। নিরাপদ ও আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতার জন্য ৫টি জরুরি নিয়ম মেনে চলা উচিত:
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!নিরাপত্তা ও সতর্কতামূলক টিপস:
১. পরিচয় ও নম্বর গোপন রাখা: ফোন সেক্স করার সময় নিজের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর ব্যবহার না করাই ভালো। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট কলিং বা প্রাইভেট নম্বর ব্যবহার করা অনেক বেশি নিরাপদ, যাতে আপনার যোগাযোগের মাধ্যমটি ভবিষ্যতে কোনো ভুল কাজে ব্যবহৃত না হতে পারে।
২. রেকর্ডিং ও সাইবার সুরক্ষা: ভিডিও কলে ঘনিষ্ঠ হওয়ার আগে নিশ্চিত হোন যে আপনার অজান্তে কলটি রেকর্ড করা হচ্ছে না। ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো কিছুই পুরোপুরি মুছে ফেলা যায় না, তাই ক্যামেরার সামনে নিজেকে প্রকাশ করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
৩. পরিচয় যাচাই ও বিশ্বাস: ডেটিং অ্যাপে আলাপ হওয়া মাত্রই সেক্স চ্যাট শুরু করা বোকামি। আগে সঙ্গীকে জানুন এবং তাঁর সঙ্গে একটি আস্থার সম্পর্ক তৈরি করুন। হুটহাট অপরিচিত কারো সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়া ব্ল্যাকমেইলিংয়ের পথ প্রশস্ত করতে পারে।
৪. ছবি শেয়ারিংয়ে সতর্কতা: অ্যাপের মাধ্যমে নিজের সংবেদনশীল বা নগ্ন ছবি শেয়ার করার আগে দুবার ভাবুন। এই ছবিগুলো সংরক্ষণ করে পরবর্তীকালে আপনার সম্মানহানির চেষ্টা করা হতে পারে। তাই ছবির চেয়ে কথার মাধ্যমেই তৃপ্তি খোঁজা বেশি নিরাপদ।
৫. আইনি সহায়তা: যদি কেউ আপনার চ্যাটের স্ক্রিনশট বা ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায় বা হুমকি দেয়, তবে ভয় না পেয়ে দ্রুত সাইবার সেলের (Cyber Cell) শরণাপন্ন হোন। মনে রাখবেন, এটি একটি অপরাধ এবং আইন আপনার পাশে আছে।
ফোন সেক্স কেবল তখনই আনন্দদায়ক হয় যখন সেখানে নিরাপত্তা ও পারস্পরিক বিশ্বাস বজায় থাকে। ডিজিটাল রোমান্সে অন্ধ না হয়ে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পা বাড়ানোই শ্রেয়।