রাস্তার ধারের মুখরোচক স্ট্রিট ফুড (Street Food) মানেই জিভে জল আনা স্বাদ আর নস্ট্যালজিয়া। চাট, ফুচকা বা পাওভাজির যে টান, তা অনেক সময় দামী রেস্তরাঁতেও খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে অতিরিক্ত তেল ও কার্বোহাইড্রেটের কারণে স্বাস্থ্যের চিন্তায় অনেকেই এসব খাবার এড়িয়ে চলেন। পুষ্টিবিদদের মতে, স্বাদের সঙ্গে আপস না করেও সামান্য কিছু কৌশলে এই জনপ্রিয় খাবারগুলোকে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর করে তোলা সম্ভব।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!নিচে স্ট্রিট ফুডকে স্বাস্থ্যকর করে তোলার কয়েকটি সহজ উপায় আলোচনা করা হলো:
১. চাট ও লেবুর রস
ছোলা বা মটর দিয়ে তৈরি চাট প্রোটিন ও ফাইবারে ভরপুর থাকে। তবে ছোলায় থাকা ‘নন-হিম’ আয়রন শরীর সহজে শোষণ করতে পারে না। এই সমস্যা মেটাতে লেবুর রস জাদুর মতো কাজ করে। লেবুর ভিটামিন সি আয়রন শোষণে সাহায্য করে, যা শরীরে শক্তি বাড়ায় এবং রক্তাল্পতার ঝুঁকি কমায়।
২. পাওভাজিতে কাঁচা পেঁয়াজ
পাওভাজির স্বাদে নতুন মাত্রা যোগ করে কাঁচা পেঁয়াজ। তবে এর কাজ কেবল স্বাদ বাড়ানো নয়। পেঁয়াজে থাকা প্রিবায়োটিক উপাদান অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, ফলে ভাজাপোড়া খাওয়ার পর পেটে ভার বোধ হওয়ার আশঙ্কা কমে।
৩. ফুচকা ও পুদিনার জাদু
ফুচকার টক জলে পুদিনা পাতা মেশানো হলে তা কেবল সুগন্ধই দেয় না, বরং হজমকারক হিসেবেও কাজ করে। পুদিনার প্রাকৃতিক উপাদান গ্যাস ও পেটের অস্বস্তি দূর করে। তেঁতুল ও জিরের সঙ্গে পুদিনার মিশ্রণ হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়, ফলে ফুচকা খাওয়ার পর পেট হালকা থাকে।
৪. আলু টিক্কিতে দইয়ের ভূমিকা
তেলে ভাজা আলু টিক্কি কার্বোহাইড্রেটে পূর্ণ থাকে। এর ওপর দই যোগ করলে খাবারটি অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ হয়। দইয়ের প্রোবায়োটিক, প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া রোধ করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।