সুন্দর ও মসৃণ ত্বকের আকাঙ্ক্ষা সবারই থাকে। অবাঞ্ছিত রোম দূর করে হাত-পা মোলায়েম দেখাতে অনেকেই দ্রুত সমাধান হিসেবে রেজারের (Razor) ওপর ভরসা করেন। কিন্তু সঠিক যত্নের অভাবে শেভিং বা রেজার ব্যবহারের পর ত্বকে র্যাশ, জ্বালাপোড়া কিংবা ছোটখাটো ক্ষতের মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই; রান্নাঘরে থাকা সামান্য কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমেই এই ‘রেজার বার্ন’ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!অ্যালোভেরা জেলের জাদু ত্বকের যেকোনো সমস্যার অব্যর্থ সমাধান হলো অ্যালোভেরা। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি এবং ই, যা ত্বকের পুষ্টি জোগাতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। রেজার ব্যবহারের পর ত্বকে অস্বস্তি হলে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে শীতল করে এবং দ্রুত আরাম দেয়।
বরফের ঘরোয়া টোটকা শেভিংয়ের পর ত্বকে প্রচণ্ড জ্বালা বা লালচে ভাব দেখা দিলে বরফ হতে পারে আপনার সেরা বন্ধু। সরাসরি বরফ না ঘষে একটি পরিষ্কার শুকনো কাপড়ে বরফ মুড়ে আক্রান্ত স্থানে আলতো করে চেপে ধরুন। এটি ত্বকের ফোলাভাব কমায় এবং জ্বালা ভাব নিমেষেই দূর করে।
নারকেল তেলের ব্যবহার ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে এবং প্রদাহ কমাতে নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার। রেজার ব্যবহারের পর র্যাশ দেখা দিলে দিনে ২-৩ বার ওই স্থানে নারকেল তেল মালিশ করুন। এটি কেবল ত্বকের জ্বালাই কমাবে না, বরং ত্বককে ভেতর থেকে নরম ও মোলায়েম রাখবে।
মধুর ঔষধি গুণ মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টি-সেপটিক হিসেবে কাজ করে। রেজার ব্যবহার করতে গিয়ে যদি ত্বকে কোথাও ছোটখাটো ক্ষত সৃষ্টি হয়, তবে সেখানে মধু ব্যবহার করলে দ্রুত সেরে যায়। এটি ত্বককে ব্যাক্টেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখে।
শশার শীতল স্পর্শ শশায় রয়েছে ভিটামিন কে এবং প্রচুর পরিমাণে জলীয় উপাদান, যা ত্বকের প্রদাহ কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। রেজার ব্যবহারের পর ত্বকে অস্বস্তি হলে শশা স্লাইস করে কেটে আক্রান্ত স্থানে ঘষতে পারেন। এটি ত্বককে তাৎক্ষণিক শীতলতা প্রদান করে এবং র্যাশের প্রকোপ কমায়।
পরিশেষে বলা যায়, সামান্য একটু সচেতনতা আর এই সহজ ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো মেনে চললে রেজারের সমস্যা এড়িয়ে আপনি সহজেই পেতে পারেন মোলায়েম ও উজ্জ্বল ত্বক।