European Union
ভারত এবং European Union ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর মধ্যে হতে চলা মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি (ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট বা এফটিএ) নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই চুক্তির ফলে কী কী সুবিধা হবে, তাও সবিস্তার উল্লেখ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার ‘ইন্ডিয়া এনার্জি উইক ২০২৬’-এর উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত এবং European Union ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হতে চলেছে। বিশ্বের মানুষ বলছে, এটা সব চুক্তির জননী।”এই চুক্তির উপকারিতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই চুক্তি ভারতের ১৪০ কোটি মানুষ এবং ইউরোপের দেশগুলির কয়েক কোটি মানুষের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি করবে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এটা নির্মাণশিল্প এবং অনুসারী শিল্পগুলির ক্ষেত্রে আরও গতি আনবে।” এর ফলে বাণিজ্যের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক গণতন্ত্রও পোক্ত হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। European Union ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টোনিও কোস্টার সঙ্গে সোমবার বৈঠকে বসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে আলোচনা হয় ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে। সেই বৈঠক নিয়ে আশাবাদী ছিল সব পক্ষই। সোমবারের সেই বৈঠক যে ফলপ্রসূ হয়েছে, তা জানান ভারতের বাণিজ্যসচিব রাজেশ আগরওয়াল।
এ বছর ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে অন্যতম প্রধান অতিথি ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান। দিন কয়েক আগে উরসুলা জানিয়েছিলেন, ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করতেই এ দেশে আসছেন তিনি। মোদীর সঙ্গে বৈঠকের আগে তিনি বলেন, “সফল ভারতই পারে বিশ্বকে আরও স্থিতিশীল, উন্নত এবং নিরাপদ করে তুলতে।” সব মিলিয়ে ব্রিটেনের পর ইউরোপ ইউনিয়নের সঙ্গে এফটিএ চূড়ান্ত হওয়া ছিল সময়ের অপেক্ষা।
সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে মঙ্গলবারই ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের তরফে যৌথ ভাবে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার কথা ঘোষণা হতে পারে। তার পর বেশ কিছু আইনি প্রক্রিয়ার পর চলতি বছরের শেষে বা আগামী বছরের গোড়ায় এই চুক্তি কার্যকর হতে পারে। প্রসঙ্গত, এই চুক্তি কার্যকর হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য ২৭টি দেশে ভারতের ৯০ শতাংশ পণ্য বিনা শুল্কে রফতানি করা যাবে। আবার ইউরোপের অন্য দেশগুলির পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও কোনও শুল্ক আরোপ করবে না নয়াদিল্লি। এই চুক্তির ফলে রফতানিযোগ্য ২৫ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে কোনও শুল্ক আরোপ হচ্ছে না। এর ফলে উপকৃত হবেন ভারত এবং ইউরোপের ওই দেশগুলিতে থাকা মোট ১৯০ কোটি ক্রেতা। তাই এই চুক্তিকে অনেকেই ‘সব চুক্তির জননী’ বলছেন।