নতুন বছরের উৎসবের আমেজ মানেই খাওয়া-দাওয়ার এলাহি আয়োজন। তবে কেবল খাবারে নয়, পানীয়ের স্বাদেও যদি আনতে চান আধুনিকতা ও আভিজাত্য, তবে ২০২৬-এর এই মরশুমে ট্রাই করতে পারেন চমৎকার কিছু ‘ট্রেন্ডিং’ পানীয় (Trending Drink)। স্বাদের পাশাপাশি এগুলোর স্বাস্থ্যগুণ আপনাকে মুগ্ধ করবে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!নতুন বছরের সেরা ৫ পানীয়:
-
কোল্ড ব্রিউ টি: সাধারণ গরম চায়ের একঘেয়েমি কাটাতে কোল্ড ব্রিউ টি হতে পারে আপনার প্রিয় সঙ্গী। এটি তৈরির বিশেষ পদ্ধতি চায়ের প্রাকৃতিক গুণাগুণ অটুট রাখে। লেমনগ্রাস বা জ্যাসমিনের ফ্লেভারে এই চা পানে মন ও শরীর দুই-ই চনমনে থাকে। যারা চা খুব একটা পছন্দ করেন না, তারাও এই রিফ্রেশিং পানীয়টির প্রেমে পড়বেন।
-
কম্বুচা ককটেল: মদ্যপানে যারা রুচিশীল এবং স্বাস্থ্য সচেতন, তাদের জন্য কম্বুচা ককটেল এক চমৎকার আবিষ্কার। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গেঁজিয়ে তোলা এই পানীয়ে থাকে হালকা টক, মিষ্টি ও ঝাঁঝালো স্বাদ। এটি মূলত একটি প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ পানীয় যা পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করলে শরীরের বড় কোনো ক্ষতি হয় না।
-
শ্রাবস (Shrubs): টক-মিষ্টির এক অনন্য ভারসাম্য হলো এই শ্রাবস। বিভিন্ন রসালো ছোট ফল, ভেষজ গুল্ম এবং ভিনিগার দিয়ে এটি তৈরি করা হয়। সোডা বা জলের সঙ্গে মিশিয়ে এটি পান করলে মুখে এক নতুন ধরনের স্বাদ পাওয়া যায়, যা দীর্ঘক্ষণ আবেশ বজায় রাখে।
-
হাইব্রিড জুস: ডায়েট বা ফিটনেস নিয়ে যারা চিন্তিত, তাদের জন্য হাইব্রিড জুস সেরা বিকল্প। গাজর, বিট ও পালং শাকের মতো পুষ্টিকর সবজির সাথে মরশুমী ফলের মিশ্রণে তৈরি এই জুস একদিকে যেমন সুস্বাদু, অন্যদিকে ভিটামিনের ভাণ্ডার। এটি একইসাথে আপনার স্বাদ ও পুষ্টির চাহিদা মেটাবে।
-
গোল্ডেন মিল্ক ল্যাটেস: যারা রাতে বা শীতের বিকেলে আরামদায়ক কিছু খুঁজছেন, তাদের জন্য রয়েছে ‘হলুদ দুধ’ বা গোল্ডেন মিল্ক ল্যাটেস। দুধের সঙ্গে হলুদ গুঁড়ো, দারচিনি ও গোলমরিচের মিশ্রণে তৈরি এই ল্যাটে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করতে জাদুকরী ভূমিকা পালন করে।
নতুন বছরের শুরুতে চিরাচরিত পানীয়ের গণ্ডি পেরিয়ে এই আধুনিক এবং স্বাস্থ্যকর পানীয়গুলোতে চুমুক দিয়ে আপনার উদ্যাপনকে করে তুলুন আরও বর্ণময়।