নারী শরীর (Female Body) ও তার সংবেদনশীলতা অনেক পুরুষের কাছেই এক রহস্যের বিষয়। যৌন বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ পুরুষ শারীরিক মিলনের সময় নিজেদের তৃপ্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেন, যার ফলে সঙ্গিনীর শারীরিক ও মানসিক চাহিদা অনেক ক্ষেত্রে অপূর্ণ থেকে যায়। একটি সার্থক ও আনন্দময় যৌন জীবনের জন্য পারস্পরিক তৃপ্তি অত্যন্ত জরুরি। সঙ্গিনীর শরীরে কামনার ঝড় তুলতে এবং তাঁকে পরম তৃপ্তি দিতে বিশেষজ্ঞরা কিছু কার্যকর টিপস দিয়েছেন:
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!১. মানসিক সংযোগ ও ধীর সূচনা
যৌনতার শুরুতেই সরাসরি শারীরিক মিলন বা নগ্নতার দিকে না গিয়ে পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। সঙ্গীকে আলতো করে কাছে টেনে কানে কানে কিছু আদুরে কথা বলুন। শুরুতেই তাড়াহুড়ো না করে হাত ও আঙুলের ছোঁয়ায় তাঁর শরীরে শিহরণ জাগান। গলা থেকে শুরু করে স্তন ও নাভির চারপাশ দিয়ে আঙুল বুলিয়ে তাঁকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করুন।
২. ওরাল স্টিমুলেশন বা জিভের ব্যবহার
নারীর শরীরে জিভের ছোঁয়া অত্যন্ত সংবেদনশীল। গলা এবং স্তন থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে নাভির দিকে নেমে আসুন। নাভির চারপাশের স্পর্শকাতর জায়গায় জিভের আলতো ছোঁয়া নারীর শরীরে কামনার তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৩. যৌনাঙ্গে ধীর ছোঁয়া
অনেকে মনে করেন দ্রুত স্পর্শেই নারী উত্তেজিত হন, কিন্তু বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। বরং যোনিপথের আশেপাশে বা ক্লিটোরিসে অত্যন্ত হালকাভাবে আঙুল বোলাতে থাকুন। এই ধীর গতির ছোঁয়া সঙ্গিনীর শরীরে বিদ্যুৎ তরঙ্গের মতো অনুভূতি তৈরি করবে।
৪. ফিঙ্গারিং-এর সঠিক কৌশল
যৌন মিলনের আগে সঙ্গিনী কতটা প্রস্তুত তা বোঝার জন্য ফিঙ্গারিং একটি ভালো উপায়। তবে এক্ষেত্রে দ্রুত আঙুল চালনা না করে প্রথমে একটি এবং পরে দুটি আঙুল ধীরে ধীরে প্রবেশ করান। এতে যোনিপথ প্রাকৃতিকভাবে সিক্ত হওয়ার সময় পায় এবং মিলন অনেক বেশি আরামদায়ক ও তৃপ্তিদায়ক হয়।
৫. সময়ের গুরুত্ব
বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা রাতে ঘুমের পর বা ভোরের দিকে বৃদ্ধি পায়। তাই রাতের প্রথম ভাগের চেয়ে এক পশলা ঘুমের পর শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে স্থায়িত্ব বেশি হয় এবং তা অনেক বেশি উপভোগ্য হয়ে ওঠে।
যৌনতা কেবল শারীরিক চাহিদা মেটানো নয়, এটি দুই মনের মিলনের একটি শৈল্পিক প্রক্রিয়া। সঙ্গিনীর স্বাচ্ছন্দ্য এবং ভালো লাগাকে গুরুত্ব দিলেই সম্পর্ক আরও গভীর ও উষ্ণ হয়ে ওঠে।