Gold Shop Robbery
ভরসন্ধ্যায় জনবহুল এলাকায় বোমাবাজি ও কপালে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতির সাক্ষী থাকল কীর্ণাহার (Gold Shop Robbery)। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ কীর্ণাহার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এক সোনার দোকানে (Gold Shop Robbery) এই তাণ্ডব চালায় ১০-১২ জনের একটি ডাকাত দল। থানা থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা ও এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় বাপন কর্মকারের সোনার দোকানে ১০-১২ জন দুষ্কৃতী হানা দেয়। তাদের মধ্যে চারজন সাধারণ ক্রেতা সেজে আংটি কেনার অছিলায় দোকানে ঢোকে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!গয়না দেখার অছিলায় সময় কাটিয়ে আচমকাই আগ্নেয়াস্ত্র বের করে মালিকের কপালে ঠেকিয়ে তাঁকে স্থবির করে দেয়। সেই সুযোগে দলের বাকি সদস্যরা দোকানের আলমারি ও শো-কেস থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা, রুপোর অলঙ্কার ও নগদ টাকা লুটে নেয়। দোকানের ভেতর অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে বুঝতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হতে শুরু করলে ডাকাত দলটি পালানোর পথ খুঁজতে থাকে। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে তারা মুহুর্মুহু বোমা ফাটাতে শুরু করে। বোমার শব্দ ও ধোঁয়ার সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়।
তবে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ডাকাত দল তাদের ব্যবহৃত একটি চারচাকার গাড়ি, একটি মোটরবাইক এবং একটি পিস্তল ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে পালায়। দোকানের মালিক বাপন কর্মকার আতঙ্কে কার্যত বাকরুদ্ধ। কীর্ণাহার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক তপন কুমার দে বলেন, “থানার এত কাছে কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে আর বোমা ফাটিয়ে এমন ডাকাতি আগে দেখিনি। ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।” স্থানীয়দের দাবি, এই ডাকাত দলটি গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় রেইকি (নজরদারি) করছিল। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কীর্ণাহার থানার পুলিশ। দুষ্কৃতীদের ফেলে যাওয়া গাড়ি, মোটরবাইক ও আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ফেলে যাওয়া গাড়ির সূত্র ধরে ডাকাতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।