সংগীতশিল্পী কুমার শানু(Kumar Sanu) তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন। এই মামলায় সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট। আদালত আপাতত মামলাটিতে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে। পাশাপাশি কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই বিষয় নিয়ে কুমার শানুকে ঘিরে কোনও মন্তব্য বা প্রকাশ্য বক্তব্য রাখতে পারবেন না রীতা ভট্টাচার্য।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!প্রসঙ্গত, গত বছর থেকেই প্রাক্তন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রকাশ্যে আসে। সেই সময় একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন রীতা ভট্টাচার্য। তিনি কুমার শানুর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ তোলেন এবং ব্যক্তিগত জীবন ঘিরে নানা প্রশ্ন উত্থাপন করেন। সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে করা সেই মন্তব্য ঘিরেই বিতর্ক দানা বাঁধে। বিষয়টি নিয়ে বিনোদন জগতেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
এই অভিযোগগুলিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সম্মানহানিকর বলে দাবি করেন কুমার শানু। তাঁর বক্তব্য ছিল, প্রকাশ্যে এ ধরনের মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। গায়কের মতে, এসব অভিযোগ তাঁর দীর্ঘ সংগীতজীবনের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা। এই পরিস্থিতিতেই আইনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি এবং প্রাক্তন স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বম্বে হাইকোর্ট অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়। আদালতের তরফে জানানো হয়, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা যাবে না। বিশেষ করে কুমার শানুর নাম জড়িয়ে কোনও অভিযোগ বা বক্তব্য প্রকাশ্যে আনা থেকে বিরত থাকতে হবে রীতাকে।
এই নির্দেশের ফলে আপাতত আইনি লড়াইয়ে কিছুটা স্বস্তি পেলেন কুমার শানু। তবে মামলার ভবিষ্যৎ রায় কী হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। আদালতের পরবর্তী শুনানির দিকেই তাকিয়ে রয়েছে দুই পক্ষ।