যৌন বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো সফল শারীরিক মিলনের মূল চাবিকাঠি হলো শুরুটা কতটা রোমান্টিক এবং উত্তেজনাকর হচ্ছে তার ওপর। একটি প্রচলিত প্রবাদ আছে— “শুরু যার ভালো, শেষ তার ভালো”। যৌনতার ক্ষেত্রেও এই কথাটি চিরন্তন সত্য। সঙ্গমে মেতে ওঠার আগে ‘ফোরপ্লে’ বা আদর-মাখামাখি যদি দারুণ হয়, তবে বিছানায় তৃপ্তির জোয়ার উঠবেই। আর এই ফোরপ্লে-র সবচেয়ে শক্তিশালী এবং জাদুকরী হাতিয়ার হলো ‘চুম্বন’ (Kiss)।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, প্রেমের জোয়ারে গা ভাসিয়ে প্রথমেই সঙ্গীর ওপর ঝাঁপিয়ে না পড়ে ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠ হওয়া উচিত। চুম্বনের শৈল্পিক ব্যবহার জানলে সঙ্গীর শরীর ও মন নিমেষেই জয় করা সম্ভব। এই ব্যাটিংয়ে জয়ী হতে চুম্বনের বিশেষ ৪টি কৌশল মেনে চলুন:
১. কানের আশেপাশে স্পর্শ: মিলনের শুরুতেই সঙ্গীর কানের লতিতে বা কানের পাশে আলতো করে চুম্বন করুন। কানের চারপাশ অত্যন্ত সংবেদনশীল। প্রয়োজনে সেখানে জিভ দিয়ে হালকা করে ভিজিয়ে দিলে সারা শরীরে এক অদ্ভুত শিহরণ ছড়িয়ে পড়বে, যা সঙ্গীকে দ্রুত উত্তেজিত করে তুলবে।
২. নাভিমূলে আদর: নাভি হলো শরীরের অন্যতম প্রধান কামোত্তেজক কেন্দ্র। নাভির ভাঁজে আলতো করে ঠোঁট রাখা বা জিভ দিয়ে স্পর্শ করা হলে সঙ্গী চরম সুখের অনুভূতি পায়। সেখানে একটি গভীর চুম্বন সঙ্গীকে আদরের জন্য ব্যাকুল করে তুলতে পারে।
৩. ঠোঁটের গভীরতা: ঠোঁটে ঠোঁট রেখে মিলনের সময় কৌশলী হোন। প্রথমে সঙ্গীর নিচের ঠোঁটে আলতো কামড় দিয়ে নিজের ঠোঁট রাখুন। এরপর নিবিড়ভাবে তাঁর মুখ নিজের ঠোঁটের আবরণে নিয়ে নিন। এই গভীর চুম্বন বা ‘ফ্রেঞ্চ কিস’ আপনাদের মধ্যকার শারীরিক দূরত্ব ঘুচিয়ে দিতে সাহায্য করে।
৪. সম্মানের চুম্বন: কামনার মাঝেও ভালোবাসার প্রকাশ থাকা জরুরি। সঙ্গীর কপালে চুম্বন করতে একদম ভুলবেন না। কপালে চুম্বন মূলত সঙ্গীর প্রতি শ্রদ্ধা এবং পরম সুরক্ষার প্রতীক। যদি সম্পর্কে সম্মানই না থাকে, তবে প্রেম বা কামনার সবটুকুই বৃথা মনে হতে পারে।
চুম্বন কেবল একটি শারীরিক প্রক্রিয়া নয়, এটি মনের মিলনেরও সেতু। চুম্বনের সময় সময়ের জ্ঞান ভুলে গিয়ে কেবল সঙ্গীর ছন্দে মিশে যান। সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে চুমুর ছোঁয়া আপনার দাম্পত্য জীবনকে আরও মধুময় ও রঙিন করে তুলবে।