গলা চুলকানোর ভয়ে অনেকেই কচু (Taro) এড়িয়ে চলেন, কিন্তু এই সবজিটি আয়রনের খনি। বিশেষ করে রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষদের জন্য কচু অত্যন্ত উপকারী। আর গলা চুলকানোর ভয় দূর করতে পাতে এক টুকরো লেবু রাখাই যথেষ্ট। কচুর একঘেয়ে তরকারি ছেড়ে বাড়িতে যদি রাজকীয় স্বাদের কচু কোরমা তৈরি করেন, তবে মাছ-মাংসের স্বাদও হার মানবে। হাতে মাত্র আধঘণ্টা সময় থাকলেই এটি তৈরি করা সম্ভব।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!প্রয়োজনীয় উপকরণ: বড় সাইজের কচুর গোড়া (অর্ধেক), নারকেলের দুধ (২ কাপ), ঠান্ডা দুধ (১ কাপ), নারকেল বাটা (১ টেবিল চামচ), পেঁয়াজ বাটা (২ টেবিল চামচ), আদা-রসুন বাটা (১ চা চামচ করে), বাদাম বাটা (১ চা চামচ), পেঁয়াজ বেরেস্তা (আধ কাপ), ঘি ও তেল (পরিমাণমতো)। এছাড়া ফোঁড়নের জন্য তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ ও দারুচিনি এবং সাধারণ গুঁড়ো মশলা (হলুদ, লঙ্কা, জিরে, গোলমরিচ), নুন ও চিনি স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে কচুর খোসা ছাড়িয়ে এক ইঞ্চি পুরু করে বড় টুকরোয় কেটে নিন। টুকরোগুলোর গায়ে ছুরি দিয়ে হালকা দাগ কেটে নিয়ে নুন-হলুদ মাখিয়ে তেল বা ঘিয়ে ভেজে তুলে রাখুন।
এবার সসপ্যানে তেল গরম করে গরম মশলা ও তেজপাতা ফোঁড়ন দিন। এতে পেঁয়াজ, আদা, রসুন ও বাদাম বাটা দিয়ে ভালো করে কষাতে থাকুন। গুঁড়ো মশলাগুলো যোগ করুন। মশলা কষানো হয়ে গেলে তাতে পেঁয়াজ বেরেস্তা, চিনি এবং দুধ দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না মশলার কাঁচা গন্ধ চলে যাচ্ছে।
মশলার ওপর তেল ভেসে উঠলে ভেজে রাখা কচুর টুকরোগুলো দিয়ে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে ঢাকা দিয়ে রান্না করুন। কচু সেদ্ধ হয়ে মাখামাখা হয়ে এলে ওপর থেকে চেরা কাঁচালঙ্কা ও বাকি বেরেস্তা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। পরিবেশনের আগে কড়াইটি কিছুক্ষণ ঢাকা দিয়ে রাখুন যাতে কোরমার সুবাস ছড়িয়ে পড়ে।
গরম ভাতের সাথে লেবু আর লঙ্কা দিয়ে পরিবেশন করুন এই রাজকীয় কচু কোরমা। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনই পুষ্টিগুণে ভরপুর।