যৌনতা বা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে জাপানিরা (Japanese) বরাবরই পরীক্ষা-নিরীক্ষা পছন্দ করেন। বিভিন্ন সমীক্ষা বলছে, সারাদিনের কঠোর পরিশ্রমের পর ক্লান্তি দূর করতে জাপানের মানুষ শারীরিক ঘনিষ্ঠতাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন। এমনকি জাপানে যৌন স্বাস্থ্য এবং কৌশল নিয়ে নিয়মিত গবেষণাপত্র ও ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়। সঙ্গমকে দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও বেশি রোমাঞ্চকর করে তুলতে জাপানিরা বিশেষ কিছু অনন্য কৌশল অনুসরণ করেন, যা বিশ্বজুড়ে এখন জনপ্রিয় হচ্ছে:
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!১. পিলো সেক্স (বালিশ যৌনতা): জাপানি নারীদের কাছে এই পদ্ধতিটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। এতে পুরুষের ভূমিকা থাকে বেশি সক্রিয়। এই কৌশলে বিছানায় একাধিক নরম বালিশ ব্যবহার করা হয়। সঙ্গী বালিশের ওপর আরামদায়ক ভঙ্গিতে শুয়ে থাকেন। তবে এই প্রক্রিয়ার বিশেষত্ব হলো—শুরুতেই সঙ্গীর শরীর স্পর্শ না করে বালিশের সঙ্গে প্রাথমিক রতিক্রিয়া বা শরীরী ছোঁয়া শুরু করতে হয়। এটি সঙ্গীর মনে কৌতূহল ও উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়, ফলে মূল মিলনের সময় তা অনেক বেশি গভীর ও তৃপ্তিদায়ক হয়।
২. ওয়াটার সেক্স (জলের খেলা): এটি কেবল বাথরুমে শারীরিক মিলন নয়, বরং জলের স্পর্শকে উপভোগ করার একটি শিল্প। এই কৌশলে একজনের শরীর থাকে ভেজা এবং অন্যজনের শরীর শুকনো। সঙ্গীর ভেজা শরীর থেকে জলের ফোঁটা বা শীতলতা নিজের শরীরে অনুভব করার মাধ্যমে এক ধরণের শিহরণ তৈরি করা হয়। এই ভেজা-শুকনো শরীরের মাখামাখি মিলনের উত্তেজনাকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়।
৩. ফ্লোর ইন্টিমেসি (মেঝেতে ঘনিষ্ঠতা): জাপানের বর্তমান প্রজন্মের কাছে বিছানার চেয়ে ঘরের মেঝে বা ফ্লোর সঙ্গমের জায়গা হিসেবে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জাপানি যৌন বিশেষজ্ঞদের মতে, সোফা, কিচেন টেবিল বা বারান্দার মেঝেতে ঘনিষ্ঠ হলে একঘেয়েমি কাটে এবং সঙ্গম অনেক বেশি দীর্ঘতর হয়। মেঝের শক্ত ও সমতল জায়গা শরীরের বিভিন্ন ভঙ্গি বা পজিশন ট্রাই করার জন্য বেশি সুবিধাজনক, যা নতুন ধরণের রোমাঞ্চ তৈরি করে।
জাপানি এই কৌশলগুলো আমাদের শেখায় যে যৌনতা কেবল প্রথাগত নিয়মে সীমাবদ্ধ নয়। সামান্য কিছু পরিবর্তন এবং নতুন জায়গার ব্যবহার দাম্পত্য জীবনে হারানো উত্তেজনা ফিরিয়ে আনতে পারে।