দাম্পত্য জীবনে কলহ, ক্লান্তি বা যৌনতায় (Intimacy) অনীহা—অনেক সময় এসবের পেছনে কেবল মানসিক কারণ নয়, বরং শোয়ার ঘরের নেতিবাচক শক্তি বা ‘বাস্তু দোষ’ দায়ী হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ঘরের সাজসজ্জা এবং আসবাবপত্রের সঠিক অবস্থান স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের গভীরতা এবং শারীরিক ঘনিষ্ঠতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। সম্পর্কের উষ্ণতা ফিরিয়ে আনতে বেডরুমে নিচের বাস্তু নিয়মগুলো মেনে চলা জরুরি:
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সুখী দাম্পত্যের জন্য প্রয়োজনীয় টিপস:
-
শয়ন ও অবস্থান: বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী, সর্বদা পূর্ব বা দক্ষিণ দিকে মাথা রেখে ঘুমানো উচিত। এতে ঘুম ভালো হয় এবং শরীর চাঙ্গা থাকে। এ ছাড়া, সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখতে স্ত্রীকে সবসময় স্বামীর বাম পাশে ঘুমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
-
ইলেকট্রনিক্স বর্জন: বেডরুমে টিভি বা মোবাইল ফোন রাখা এড়িয়ে চলুন। এগুলো মনোযোগ নষ্ট করে এবং সঙ্গীর সঙ্গে নিভৃত সময় কাটানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া এসি, ফ্যান বা কুলার থেকে কোনো বিকট শব্দ হলে তা দ্রুত সারিয়ে নিন, কারণ কর্কশ শব্দ মানসিক শান্তিতে বিঘ্ন ঘটায়।
-
দেওয়াল ও ছবির ব্যবহার: সুখী দাম্পত্যের প্রতীক হিসেবে ঘরে রাধা-কৃষ্ণের ছবি বা স্বামী-স্ত্রীর হাসিমুখের কোনো সুন্দর ছবি টাঙাতে পারেন। বিশেষ করে যেদিকে মাথা করে ঘুমান, সেই দিকের দেওয়ালে ছবি রাখা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুস্থ ও সুন্দর সন্তানের আকাঙ্ক্ষা থাকলে শয়নকক্ষে বালগোপালের ছবি রাখা শুভ বলে মনে করা হয়।
-
ঘড়ি ও জানলার অবস্থান: দক্ষিণ দিকের দেওয়ালে কখনও ঘড়ি রাখবেন না; এর জন্য উত্তর দিকটি বেছে নিন। জানলার বাইরে যদি শুকনো গাছ, ভাঙা বাড়ি বা কলকারখানার ধোঁয়া দেখা যায়, তবে সেই জানলাটি সবসময় পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখুন। বাস্তু মতে, বাইরের নেতিবাচক দৃশ্য সংসারে অশান্তি ডেকে আনে।
-
আয়না নিয়ে সতর্কতা: বিছানার ঠিক সোজাসুজি আয়না রাখা বাস্তু শাস্ত্রের বড় ভুল। যদি আয়না সরাতে না পারেন, তবে রাতে ঘুমানোর সময় তাতে পর্দা দিয়ে রাখুন। ভাঙা আয়না ঘরে রাখা চরম অমঙ্গলজনক, এটি দ্রুত সরিয়ে ফেলা উচিত।
বেডরুমের পরিবেশকে শান্ত, পরিচ্ছন্ন ও সুগন্ধযুক্ত রাখুন। বাস্তুর এই ছোটখাটো পরিবর্তনগুলো আপনার অগোচরেই সম্পর্কে নতুন করে রোমান্স এবং মানসিক প্রশান্তি ফিরিয়ে আনবে।