শীতের মিঠে হাওয়া বইছে, তাপমাত্রা ধীরে ধীরে নামছে। বছরের এই সময়টা দু’তিন দিনের ছোট্ট ছুটিতে কোথাও বেরিয়ে পড়ার একেবারে উপযুক্ত মৌসুম। ব্যস্ততার ফাঁকে একটু সময় পেলেই সঙ্গীর হাত ধরে অচেনা জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার আনন্দই আলাদা। ভ্রমণের সঙ্গে যদি থাকে ভালোবাসার মানুষ, তাহলে ছুটির স্বাদ আরও রঙিন হয়ে ওঠে—এ নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই। আর এই ভ্রমণেই দাম্পত্যের ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে চাইলে কয়েকটি সহজ টিপস কিন্তু সাহায্য করতে পারে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আপনি বা আপনার সঙ্গী যদি সম্পর্কের মধ্যে রোমাঞ্চ পছন্দ করেন, তবে ভ্রমণে বেরোনোর সময় কিছু জিনিস অবশ্যই সঙ্গে রাখুন। হতে পারে আকর্ষণীয় অন্তর্বাস, মনমাতানো কোনও সুগন্ধি, কিংবা কোনও রোমাঞ্চকর ছোট উপকরণ—এসবই আপনাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তকে (Intimacy) আরও মনোরম করে তুলতে পারে। নতুন পরিবেশ, নতুন ঘর—এসবই সম্পর্কের একঘেয়েমি ভেঙে দেয়। অনেক দম্পতি মনে করেন, দিনের পর দিন একই ঘর, একই বিছানায় থাকার কারণে যৌনজীবন একসময়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। কিন্তু হোটেলের অপরিচিত পরিবেশ সেই স্থবিরতা মুহূর্তেই দূর করতে পারে। ইচ্ছে হলে বিছানার বদলে সোফা বা ঘরের অন্য কোনও আরামদায়ক জায়গাতেও ঘনিষ্ঠ হতে পারেন।
সাধারণত দম্পতিরা ভোরবেলা বা রাতে ঘনিষ্ঠতা খোঁজেন। কিন্তু ভ্রমণে গেলে এই অভ্যাস বদলে ফেলুন। বিকেলের হালকা রোদ বা অলস দুপুরও হতে পারে আদর্শ সময়। অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে—এতে যেন আপনার ঘোরার পরিকল্পনা ব্যাহত না হয়।
ভ্রমণে গিয়ে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হল কাজের চাপ একেবারে ভুলে থাকা। অফিসের মেল, ফোনের নোটিফিকেশন, অ্যালার্ম—সবই কয়েক দিনের জন্য দূরে রাখুন। এই সময়টা সম্পূর্ণভাবে সঙ্গীকে দিন। একে অপরের উপস্থিতি উপভোগ করুন, সুযোগ পেলে আরও বেশি সময় একসঙ্গে কাটান। এতে সম্পর্কের উষ্ণতা ও বোঝাপড়া দুটোই ফিরে আসবে নতুন করে।
ঘনিষ্ঠতার সময় বা সংখ্যাকে কোনও হিসেবের খাতায় ফেলবেন না। মন চাইলে একে অপরের কাছাকাছি আসুন, অনুভূতির ডাকে সাড়া দিন। শরীরী ঘনিষ্ঠতা যেন হয় আবেগের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। এতে সম্পর্ক শুধু আরও দৃঢ়ই হবে না, ফিরে পাবেন সেই পুরনো উত্তেজনা ও গভীরতা।