শীতের শুরুতেই বাতাসে জমে ওঠে এক মনোমুগ্ধকর হিমেল অনুভূতি। অনেকে মনে করেন, এই ঋতুই সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। যদিও তা বলে যে গরমকালে দাম্পত্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়, এমনটা নয়। বরং এ নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে, যা অন্য সময়ে আলোচনা করা যেতে পারে। আপাতত মূল প্রসঙ্গে আসা যাক—শীতকালে কীভাবে সঙ্গী বা সঙ্গীনিকে সর্বোচ্চ আরাম ও আনন্দ দেওয়া যায়, তা নিয়ে কিছু গবেষণা-সমর্থিত পরামর্শ রইল।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!যৌনতা (Intimacy) কখনোই শুধুমাত্র ইচ্ছা হলেই সম্ভব নয়; মন ও পরিবেশ প্রস্তুত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ‘মুড’ তৈরি না হলে চরমসুখ পাওয়া কঠিন। এ বিষয়ে জার্নাল অফ থিওরিটিক্যাল অ্যান্ড অ্যাপ্লায়েড ইলেকট্রিক কমার্স রিসার্চ-এর একটি গবেষণা বলছে, বেডরুমের আলোর তীব্রতা যৌন মুহূর্তের গুণগত মানে বড় প্রভাব ফেলে। তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঘর পুরোপুরি অন্ধকার থাকলে মনোনিবেশ বিঘ্নিত হতে পারে। আবার অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো সঙ্গী দু’জনকেই অস্বস্তিকরভাবে সতর্ক করে তোলে, ফলে আনন্দ কমে যায়। তাই সেরা বিকল্প হল মৃদু, কোমল আলো, যা ঘরে এনে দেয় শান্ত, মোলায়েম পরিবেশ এবং দ্রুত রোম্যান্টিক আবহ তৈরি করে। এতে দাম্পত্যে উষ্ণতা বাড়ে এবং মুহূর্ত আরও উপভোগ্য হয়।
তাই ঘনিষ্ঠ হওয়ার আগে ঘরের পরিবেশে কিছু পরিবর্তন আনা যেতে পারে—
-
মৃদু আলো ব্যবহার করুন। সাদা তীব্র আলোর বদলে অনেকেই হলুদ টোনের আলো পছন্দ করেন, যা চোখে আরাম দেয় এবং ঘরকে করে তোলে আরামদায়ক। নীল বা লাল আলোর হালকা সংস্করণ থাকলেও তা চোখে আরামদায়ক নয়, তাই এড়ানো ভালো।
-
সুগন্ধ ব্যবহার করতে পারেন। ঘরে হালকা ও সাবলীল সুবাস মুড তৈরি করতে সাহায্য করে। তবে তীব্র সুগন্ধ বিরক্তিকর হতে পারে, তাই নরম গন্ধই উপযোগী।
-
সঙ্গীর পছন্দের গান বাজাতে পারেন। যদি তিনি সংগীতপ্রেমী হন, তবে হালকা, ধীর সুরের গান আবহকে আরও রোম্যান্টিক করে তুলতে পারে।
-
পোশাকে আনুন সামান্য আকর্ষণীয়ত্ব। সাহসী কিন্তু সুস্বাদু পোশাক অনেক সময় সঙ্গীর মন ভালো করতে পারে এবং মুহূর্তকে উত্তেজনাপূর্ণ করে।
-
ঘনিষ্ঠতার পর আলাপ করুন। যৌনতার পর সঙ্গীর সঙ্গে মনের কথা ভাগ করলে সম্পর্ক আরও গভীর হয় ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি পায়।