নিঃশব্দে সঙ্গীর সঙ্গে কিছুটা একান্ত সময় কাটাতে চাইলে অনেকেরই প্রথম পছন্দ অ্যাপ-ভিত্তিক হোটেল বুকিং প্ল্যাটফর্ম OYO। কফিশপ বা জনবহুল জায়গায় যেতে না চাইলে চার দেওয়ালের নিরিবিলিতাই ভরসা। শুরু থেকেই হসপিটালিটি টেক সংস্থাটি এই ধারণাই বদলে দিয়েছে। মোবাইল অ্যাপ থেকে ঝামেলাবিহীনভাবে যে কেউ কয়েক সেকেন্ডেই নিজের মতো হোটেল বা রুম বুক করতে পারতেন। অবিবাহিত যুগলদের রুম বুকিংয়ের সুযোগ করে দেওয়ার ফলে জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছিল, বিশেষত জেন জি প্রজন্মের মধ্যে। জনসমাগম থেকে দূরে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে বহু যুগল এই প্ল্যাটফর্মেই আস্থা রাখতেন। যদিও অবিবাহিত যুগলদের রুম দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিতর্কও হয়েছিল, এমনকি একসময় সেখান থেকে পিছিয়ে আসার ইঙ্গিতও দিয়েছিল সংস্থা। এর মধ্যেই OYO-র নাম বদলে হয় PRISM, এবং সঙ্গে আসে নিয়মে নতুন কাঠামো।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!দীর্ঘদিন ধরে যে নিয়মটি বজায় ছিল— চেক-ইনের সময়ে আধার কার্ড দেখানো এবং তার ফটোকপি জমা রাখা— সেটিই এবার বড় পরিবর্তনের মুখে। সাধারণ হোটেলগুলির ক্ষেত্রেও পরিচয়পত্র দেখানো বাধ্যতামূলক হলেও, আধারের ফটোকপি জমা রাখাকে আর নিরাপদ মনে করছে না সংস্থা। কারণ, আধারের মতো সংবেদনশীল পরিচয়পত্রের কপি জমা থাকলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের সম্ভাবনা থাকে। যুগলদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তাকে অগ্রাধিকার দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পরিচয়পত্র হিসেবে আধার কার্ড দেখাতে হলেও আর তার ফটোকপি জমা দিতে হবে না। এতে অস্বস্তি বা তথ্য চুরির আশঙ্কা অনেকটাই কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
হসপিটালিটি পরিষেবার শুরু থেকেই যে বিশ্বাস ও সুবিধাবোধ তৈরি হয়েছিল, নতুন নীতিতে তাতে আরও স্বস্তির আবহ যোগ হবে বলে ধারণা। বিশেষত তাঁদের জন্য, যাঁরা নিজের গোপনীয়তাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন বা পূর্ববর্তী নিয়মে আপত্তিতে ছিলেন। যদিও সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি এখনও, সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ফলে নিয়ম বদলের পর যুগলদের অভিজ্ঞতা হবে আরও সুরক্ষিত, ঝঞ্ঝাটমুক্ত এবং ব্যক্তিগত তথ্যের ক্ষেত্রে অধিকতর নিশ্চিন্ত— এ বিষয়ে সন্দেহ নেই।