Manipur
প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন Manipur মণিপুরের কাংপোকপি জেলার কে সঙলুং গ্রামে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ডাকা হয়েছে বন্ধ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক সংগঠন প্রেস বিবৃতি দিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে। জেডইউএফ (জ়েলিয়াংগ্রং ইউনাইটেড ফ্রন্ট–এস কামসন গোষ্ঠী) দাবি করেছিল, কুকিরা ওই এলাকায় অবৈধ দখলদারি চালিয়ে আফিম চাষ করছিল। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতেই আগুন লাগানো হয়েছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!কুকি স্টুডেন্টস’ অর্গানাইজেশন (সদর হিলস) এক বিবৃতিতে জ়েডইউএফ-এর বক্তব্যকে সরাসরি খারিজ করে দিয়ে অভিযোগ করেছে যে, অগ্নিসংযোগ, ভীতি প্রদর্শন এবং সাধারণ মানুষের সম্পত্তি ধ্বংসকে কোনও ভাবেই আইন প্রয়োগের নামে ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। সংগঠনটি দাবি করেছে, কে সঙলুং গ্রামটি সাম্প্রদায়িক হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরে পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত হচ্ছিল। তারা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। ভিলেজ ভলান্টিয়ার্স কো-অর্ডিনেটিং কমিটি (ভিভিসিসি) তাদের বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘জঘন্য জঙ্গি হামলা’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছে যে, জেডইউএফ (কামসন গোষ্ঠী) এই অগ্নিসংযোগের জন্য দায়ী।
এ ধরনের হামলা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও শত্রুতা তৈরির চেষ্টা। তারা জানিয়েছে, কুকি-জ়ো সমাজের পক্ষ থেকে পপি চাষ বন্ধের পক্ষে একাধিক প্রস্তাব আগেই গৃহীত হয়েছে। ভিভিসিসি নাগা ও কুকি-জ়ো সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে আঞ্চলিক নেতৃত্বের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ করেছে। ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মি বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে যে, এই হামলা বৃহত্তর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হিংসারই পরিকল্পিত অংশ। ইউকেএনএ দাবি করেছে, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করা যায় না এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করে। হিংসার বদলে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে কথা বলে।