সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের জন্য কেবল মানসিক টান যথেষ্ট নয়; শারীরিক ঘনিষ্ঠতা বা যৌনতাও (Intimacy) এর এক অপরিহার্য চাবিকাঠি। অনেক ক্ষেত্রে সম্পর্কের স্থায়িত্ব নির্ভর করে দম্পতির শারীরিক রসায়নের ওপর। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার দম্পতির ওপর চালানো এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যাঁরা সপ্তাহে অন্তত একবার যৌনতায় লিপ্ত হন, তাঁরা মানসিক চাপে কম ভোগেন এবং তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক অনেক বেশি দৃঢ়। অন্যদিকে, যাঁরা দুই সপ্তাহে একবার বা তার কম মিলিত হন, তাঁদের কাছে বিষয়টি কেবল একটি একঘেয়ে ‘রুটিন’ বলে মনে হয়।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌন মিলনের কোনো ধরাবাঁধা গাণিতিক নিয়ম নেই, তবে সম্পর্ককে সতেজ রাখতে নিয়মিত শারীরিক সান্নিধ্য অত্যন্ত জরুরি। মিলনকে আরও আনন্দময় ও গভীর করতে তাঁরা কিছু বিশেষ কলাকৌশলের ওপর জোর দিয়েছেন:
১. কানে কানে কথোপকথন ও স্পর্শ: যৌনতার শুরুটা হওয়া উচিত মানসিক ও ইন্দ্রিয়গতভাবে। সঙ্গিনীকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে কানে কানে প্রেমের দুষ্টু-মিষ্টি কথা বলা উত্তেজনা বৃদ্ধিতে সহায়ক। কানের লতিতে আলতো স্পর্শ বা হালকা দংশন শরীরী আবেদনে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। এরপর ধীরে ধীরে কাঁধ, গলা এবং কোমরের দিকে মনোযোগ দিলে সঙ্গিনী আরও বেশি ঘনিষ্ঠ বোধ করেন।
২. ফোরপ্লে-তে জিভের সঠিক ব্যবহার: মিলনের মূল পর্বে যাওয়ার আগে ফোরপ্লে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফোরপ্লে-র সময় জিভের ব্যবহার উদ্দীপনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে সারা শরীরে স্পর্শ ও আদরের মাধ্যমে সঙ্গিনীকে মিলনের জন্য প্রস্তুত করা উচিত। বিশেষ করে শরীরের সংবেদনশীল অংশগুলোতে আলতো ছোঁয়া কামনার পারদ চড়াতে সাহায্য করে।
৩. হাত ও ঠোঁটের সমন্বয়: চুম্বনের সময় কেবল ঠোঁট নয়, হাতের ব্যবহারও সমান জরুরি। যখন ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ঘনিষ্ঠতা চলে, তখন হাতের স্পর্শ যেন সঙ্গিনীর সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। শরীরের বিভিন্ন অংশে আলতো হাতের ছোঁয়া ও আদরে সঙ্গিনী নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আপনার কাছে সঁপে দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন।
ভালোবাসা ও যৌনতা একে অপরের পরিপূরক। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এই ছোট ছোট টিপসগুলো অনুসরণ করলে দাম্পত্য জীবন যেমন মধুময় হয়, তেমনই গভীর হয় বিশ্বাসের ভিত।