ধরুন, নিরিবিলি সময়ে আপনি এবং আপনার সঙ্গী একান্তে রয়েছেন। পরিবেশ শান্ত, আপনাদের পুরো মনোযোগ একে অপরের দিকে। এমন পরিস্থিতিতে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তবে কি আপনার পুরুষসঙ্গীর প্রত্যাশা শুধুই শারীরিক সম্পর্ক (Relation)? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরুষরা তাঁদের সঙ্গীর কাছে শুধু যৌনতা নয়, আরও নানা ধরনের মানসিক ও আবেগিক পরিপূর্ণতাও চান। সেই চাহিদাই নাকি সম্পর্ককে আরও গভীর ও স্থায়ী করে তোলে। কী কী চান তাঁরা, এবার দেখে নেওয়া যাক।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!প্রথমত, প্রশংসা—যা সবার মতোই পুরুষদের কাছেও অত্যন্ত মূল্যবান। আপনার সঙ্গী হয়তো আপনাকে সন্তুষ্ট করতে নানা চেষ্টা করেন। তাই তাঁকে আন্তরিকভাবে প্রশংসা করলে তিনি শুধু খুশি হন না, নিজেকে আরও মূল্যবান মনে করেন। অনেকসময় দেখা যায়, প্রশংসা পুরুষদের কাছে শারীরিক সম্পর্কের চেয়েও বড় পাওয়া।
দ্বিতীয়ত, সম্মান। সম্পর্ক যতই ঘনিষ্ঠ হোক না কেন, সম্মান তার ভিত্তি। সঙ্গীর প্রতি অসম্মান বা অবহেলা সম্পর্কের ভিত নড়বড়ে করে দিতে পারে। তাই কথা বলা বা আচরণের মাধ্যমে তাঁকে সম্মান জানান। এতে তিনি ইতিবাচক শক্তি পাবেন, সম্পর্কও হবে আরও ভারসাম্যপূর্ণ।
তৃতীয়ত, ঝগড়াঝাঁটি নিয়ে সচেতনতা। সম্পর্কে মতভেদ হওয়া স্বাভাবিক এবং অনেকসময় তা সম্পর্ককে দৃঢ়ও করে। কিন্তু অতিরিক্ত ঝগড়া বা আবেগে আচরণ সম্পর্কে বিষাক্ত পরিবেশ তৈরি করে। তাই কোনও সমস্যা হলে উত্তেজিত না হয়ে শান্তভাবে আলোচনা করুন। কথোপকথনই সমস্যার সেরা সমাধান, এবং এতে সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধনও আরও মজবুত হয়।
চতুর্থত, গর্বের প্রকাশ। আপনার সঙ্গী যে আপনার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ, আপনি তাঁকে পেয়ে গর্বিত—এ কথা সরাসরি বলা না হলেও ইঙ্গিত বা আচরণে প্রকাশ পেলে তাঁরা ভীষণ আনন্দিত হন। এতে সম্পর্কের উষ্ণতা বাড়ে এবং দু’জনের আবেগিক নৈকট্য আরও গভীর হয়।
পঞ্চমত, কৃতজ্ঞতা এবং ভুল স্বীকার। সম্পর্ক যতই ঘনিষ্ঠ হোক, ভুল হতে পারে। নিজের ভুল স্বীকার করা এবং প্রয়োজনে ধন্যবাদ জানানো সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেয়। এতে সঙ্গীর মনে জাগে সম্মান, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক বিশ্বাস।
শেষ পর্যন্ত, সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে যৌনতার পাশাপাশি এই আবেগিক দিকগুলিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।