সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের জন্য শুধু মানসিক টান থাকলেই চলে না, বরং শারীরিক নৈকট্য বা যৌনতাও (Intimacy) সমান গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় যৌনতার অভাব সম্পর্কের ফাটল ধরার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি একটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে, সম্পর্কের গভীরতা বজায় রাখতে নিয়মিত যৌন মিলনের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!গবেষণার তথ্য ও যৌনতার প্রয়োজনীয়তা: সাড়ে তিন হাজার দম্পতির ওপর চালানো ওই সমীক্ষায় দেখা গেছে, যাঁরা সপ্তাহে অন্তত একবার যৌনতায় লিপ্ত হন, তাঁরা মানসিক চাপে কম ভোগেন এবং সঙ্গীর সঙ্গে তাঁদের বোঝাপড়া অনেক বেশি দৃঢ়। অন্যদিকে, যেসব দম্পতি দুই সপ্তাহে বা তার বেশি ব্যবধানে মিলিত হন, তাঁদের কাছে যৌনতা একঘেয়ে বা রুটিনমাফিক কাজ বলে মনে হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শারীরিক মিলন কেবল শরীরের চাহিদা নয়, এটি মানসিক প্রশান্তি এবং সুখের চাবিকাঠি।
যৌন জীবনকে আকর্ষণীয় করার বিশেষ উপায়: একঘেয়েমি কাটাতে এবং মিলনের উত্তেজনা বাড়াতে বিশেষজ্ঞরা কিছু কার্যকর পদ্ধতির পরামর্শ দিয়েছেন:
১. টেম্পারেচার প্লে বা বরফের ব্যবহার: মিলনের আগে বা ফোরপ্লে-র সময় বরফ বা ঠান্ডা জলের বোতল ব্যবহার করে সঙ্গীর শরীরে সুড়সুড়ি দেওয়া যেতে পারে। শরীরের সংবেদনশীল অংশে বরফের ছোঁয়া উত্তেজনাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ২. শাওয়ার বা বাথটব সেক্স: একঘেয়েমি কাটাতে বাথরুম বা বাথটব হতে পারে আদর্শ স্থান। জলের স্পর্শে সঙ্গমের আনন্দ কয়েক গুণ বেড়ে যায় এবং এটি ক্লান্তি দূর করে শরীর ও মনকে তরতাজা রাখে। ৩. আরামদায়ক পজিশন: সব সময় গতানুগতিক ভঙ্গিতে মিলন না করে ‘সাইড সেক্স’ বা পাশাপাশি শুয়ে ঘনিষ্ঠ হওয়া যেতে পারে। এতে শারীরিক ধকল কম হয় এবং একে অপরের সান্নিধ্য বেশিক্ষণ উপভোগ করা যায়।
যৌনতা প্রতিটি মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি এবং সুস্থ সম্পর্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ। দম্পতির মধ্যে পারস্পরিক রসায়ন কেমন হবে, তার কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই, তবে নিয়মিত শারীরিক ঘনিষ্ঠতা সম্পর্কের উষ্ণতা ও বিশ্বাসকে চিরস্থায়ী করতে সাহায্য করে।