ক্রিসমাস (Christmas) এলেই ঘর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে কেক, পেস্ট্রি আর নানা মিষ্টান্নের মনভোলানো গন্ধ। এই উৎসবের মরশুমে অনেকেই নিজের হাতে কেক, মাফিন বা অন্যান্য বেকড আইটেম বানাতে ভালোবাসেন। তবে এ বছর চাইলে কেক-পেস্ট্রির পাশাপাশি একটু ভিন্ন স্বাদের কুকিজও বানিয়ে দেখতে পারেন। বড়দিনের সকালে চায়ের সঙ্গে হালকা নোনতা-মিষ্টি ‘টা’ হিসেবে রোস কুকিজ হতে পারে দারুণ বিকল্প। বানাতে সহজ, আবার দেখতে সুন্দর—এই কুকিজ প্রাতঃরাশের টেবিলে আলাদা আকর্ষণ যোগ করবে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!রোস কুকিজ তৈরির জন্য খুব বেশি উপকরণের দরকার হয় না। লাগবে এক কাপ চালের গুঁড়ো, এক চতুর্থাংশ কাপ ময়দা, এক চতুর্থাংশ কাপ চিনি, আধ কাপ নারকেলের দুধ, এক চতুর্থাংশ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স, এক চতুর্থাংশ চা চামচ নুন এবং ভাজার জন্য প্রায় দুই কাপ ঘি। এ ছাড়া কুকিজের ফুলের মতো নকশা তৈরি করতে একটি উপযুক্ত রোস কুকিজের ছাঁচ দরকার হবে।
প্রথম ধাপে তৈরি করে নিতে হবে নারকেলের দুধ। কুঁচি করা নারকেল অল্প গরম জল দিয়ে ভালো করে পেস্ট করে নিন। এরপর ছেঁকে নারকেলের দুধ আলাদা করে রাখুন এবং নারকেলের গুঁড়ো ফেলে দিন। এবার একটি বড় মিক্সিং বোল নিয়ে তাতে চালের গুঁড়ো ও ময়দা দিন। নুন ছিটিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন, যাতে মিশ্রণটি সমান হয়।
এরপর এতে চিনি ও নারকেলের দুধ যোগ করুন। একটি হুইস্ক বা খুন্তি দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন, যাতে কোনও দলা না থাকে। মিশ্রণটি মসৃণ হলে ভ্যানিলা এসেন্স দিন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প জল যোগ করে মাঝারি ঘনত্বের ব্যাটার তৈরি করুন। ব্যাটার প্রস্তুত হলে তা ঢেকে অন্তত আধ ঘণ্টা রেখে দিন।
এরপর একটি কড়ায় ঘি গরম করুন। রোস কুকিজের ছাঁচটি গরম ঘির মধ্যে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন, যাতে ছাঁচ ভালোভাবে গরম হয়। ছাঁচ গরম হলে অতিরিক্ত ঘি ঝরিয়ে ব্যাটারের মধ্যে ডুবিয়ে নিন। তারপর সাবধানে ছাঁচটি আবার গরম ঘির মধ্যে ছেড়ে দিন। কিছুক্ষণ পর কুকিজ ছাঁচ থেকে আলাদা হয়ে যাবে। এক পাশ সোনালি হলে উল্টে অন্য দিকটিও ভেজে নিন।
ভাজা হয়ে গেলে কুকিজ তুলে ঠান্ডা করুন এবং বায়ুরোধী কন্টেনারে ভরে রাখুন। বড়দিনের সকালে গরম চায়ের সঙ্গে এই ঘরোয়া রোস কুকিজ নিঃসন্দেহে উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেবে।