Santipur
ফের নদীয়ার Santipur শান্তিপুরে বয়স্ক বৃদ্ধের যৌনলালসার শিকার হল এক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতী। ঘটনা নদীয়ার শান্তিপুর থানা এলাকার নৃসিংহপুর ইন্দিরা আবাসন কলোনি এলাকার। জানা যায় রবিবার রাত দুটো নাগাদ ওই যুবতী বাড়ির ছাদে বাথরুমে গিয়েছিল। এরপর থেকে সে আর ঘরে ঢুকে না বাড়ির লোকজন এলাকাতে বিভিন্ন জায়গাতে খোঁজাখুঁচি শুরু করে ওই যুবতীর। ঘটনায় আধঘন্টা কেটে গেলেও তাকে খোঁজ পাওয়া যায় না। এর পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী এক মহিলা তার মেয়েকে বাড়িতে দিয়ে যায়।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ওই মহিলা যুবতীর পরিবারকে জানাই পার্শ্ববর্তী একটি পারণে উলঙ্গ অবস্থায় পড়েছিল ওই যুবতী। মহিলার মেয়ে একটি আওয়াজ শুনে জানলা খুলে তাকাতেই দেখতে পায় ওই যুবতী পড়ে রয়েছে পারনে। তখনই তার মা-বাবাকে ডেকে যুবতীর বস্ত্র পরিয়ে তাকে তার পরিবারের হাতে গিয়ে তুলে দেওয়া হয়। যদিও এই ঘটনায় পার্শ্ববর্তী গোপাল পান্ডে নামে এক বৃদ্ধকে রাস্তায় দেখা গেছে বলে ওই পরিবার জানায়। ঘটনায় সকালবেলায় এবং রাতে ওই যুবতীকে বাড়ির লোকজন জিজ্ঞাসা করলে যুবতী জানায় তার বস্ত্র খুলে তাকে নিয়ে অসৎ কাজ করতে চেয়েছিল গোপাল পান্ডে। ঘটনায় শান্তিপুর থানায় পরিবারের পক্ষ থেকেনিয়ে আসা হয় যুবতীকে। যদিও মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে থানায় এসে প্রথমেই যুবতীর পরিবারের নামে অভিযোগ করে গোপাল পান্ডে ও তার পরিবার।
থানায় ওই যুবতী গোপাল পান্ডে কে দেখে গত রাতের সমস্ত কথা তার বাবা বৌদি দাদাদের সামনে চিৎকার করে বলতে থাকে এবং আঙুল দিয়ে দেখাতে থাকে অভিযুক্তকে বলে দাবি নির্যাতিতা যুবতীর পরিবারের। ঘটনায় থানা থেকে তখনি চম্পার দেয় অভিযুক্ত গোপাল পান্ডে এরপরে শান্তিপুর থানায় নির্যাতিত যুবতী পরিবারের পক্ষ থেকে গোপাল পান্ডের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এবং গোপাল পান্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলা হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযুক্ত গোপাল পান্ডে কে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে শান্তিপুর থানার পুলিশ। অপরদিকে নির্যাতিত যুবতীর মেডিকেল টেস্ট করানো হয় শান্তিপুর হাসপাতালে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।