শীতের হিমেল হাওয়ায় ত্বকের পাশাপাশি চুলের রুক্ষতা ও শুষ্কতা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। নামী-দামি প্রসাধনী ব্যবহার করেও অনেক সময় চুলের স্বাভাবিক জেল্লা ফিরে আসে না। এমতাবস্থায় একটি বিকল্প ও কার্যকর সমাধান হতে পারে ‘বিয়ার’ (Beer)। শুনতে অবাক লাগলেও, সঠিক নিয়মে চুলের পরিচর্যায় বিয়ার ব্যবহার করলে রুক্ষতা দূর হয়ে চুল হয়ে ওঠে রেশমি ও উজ্জ্বল।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!চুলের স্বাস্থ্যে বিয়ারের উপকারিতা বিয়ার মূলত প্রোটিন সমৃদ্ধ, যা চুলের ওপর একটি প্রাকৃতিক সুরক্ষা বলয় তৈরি করে। এটি চুল পড়া রোধ করতে অত্যন্ত কার্যকরী। এছাড়া বিয়ারে থাকা জিংক এবং ভিটামিন-বি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে। শুধু তাই নয়, শীতকালীন অবাধ্য জট ছাড়াতে এবং খুশকিজনিত দুর্গন্ধ দূর করতেও বিয়ারের জুড়ি মেলা ভার। এক কথায়, চুলের হারানো জৌলুস ফেরাতে এটি একটি ম্যাজিক ড্রিন্কের মতো কাজ করে।
ব্যবহারের সঠিক নিয়মবিধি বিয়ার সরাসরি চুলে ব্যবহার না করে একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি: ১. প্রথমে একটি বিয়ারের বোতল খুলে কিছুক্ষণ খোলা অবস্থায় রেখে দিন যাতে এর অতিরিক্ত গ্যাস বা ঝাঁজ বেরিয়ে যায়। ২. এবার একটি স্প্রে বোতলে সেই বিয়ার ঢেলে নিন এবং তার সঙ্গে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের শ্যাম্পু মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। ৩. চুল সামান্য ভিজিয়ে নিয়ে এই মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় এবং মাথার ত্বকে (স্ক্যাল্প) ভালো করে লাগিয়ে নিন। ৪. আঙুলের সাহায্যে কমপক্ষে ১৫ মিনিট হালকা হাতে মাসাজ করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং বিয়ারের পুষ্টিগুণ চুলের গভীরে পৌঁছায়। ৫. মাসাজ শেষে ঠান্ডা জল দিয়ে চুল খুব ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর নরম তোয়ালে দিয়ে চুল মুছে স্বাভাবিকভাবে শুকিয়ে নিন।
ফলাফল সঠিকভাবে মাত্র একবার ব্যবহার করলেই আপনি তফাত বুঝতে পারবেন। আপনার চুল হয়ে উঠবে আগের চেয়ে অনেক বেশি ঝলমলে, নরম ও প্রাণবন্ত। সামনেই নতুন বছরের নানা অনুষ্ঠান বা পার্টি; সেখানে সবার নজর কাড়তে এবং প্রশংসা পেতে আজই ট্রাই করতে পারেন এই সহজ ঘরোয়া টোটকাটি।