ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলে নতুন বছরে একটু নির্জনে সময় কাটাতে চান? অনেকের কাছেই ভ্রমণের অর্থ কেবল ছোটাছুটি নয়, বরং শান্ত পরিবেশে নিজেকে সময় দেওয়া। সমুদ্রের বিশালতার মাঝে যদি অলস দিন যাপনের পরিকল্পনা থাকে, তবে আপনার তালিকায় রাখতে পারেন এই পাঁচটি অফবিট সমুদ্রসৈকত (Seabeach)।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!১. বাটারফ্লাই বিচ, গোয়া: গোয়ার চিরচেনা ভিড় থেকে দূরে এক টুকরো শান্তি হলো বাটারফ্লাই বিচ। এই সৈকতে পর্যটকদের আনাগোনা তুলনামূলক কম, তাই প্রিয়জনের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর জন্য এটি আদর্শ। নীল জলরাশির পাড়ে বসে অলস সময় কাটাতে এর জুড়ি নেই।
২. চাঁদিপুর সমুদ্রসৈকত, ওড়িশা: বাঙালির অত্যন্ত কাছে এবং সাশ্রয়ী গন্তব্য হলো চাঁদিপুর। এই সৈকতের বিশেষত্ব হলো এর জোয়ার-ভাটার খেলা। ভাটার সময় সমুদ্রের জল কয়েক কিলোমিটার দূরে সরে যায়, যা এক অনন্য অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়। শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশে সূর্যালোকের খেলা দেখতে দেখতে এখানে অনায়াসেই একটি দিন কাটিয়ে দেওয়া যায়।
৩. মিনিকয় আইল্যান্ড, লাক্ষাদ্বীপ: প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য আর স্বচ্ছ নীল জল যদি আপনার পছন্দ হয়, তবে লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় সৈকত আপনার সেরা গন্তব্য হতে পারে। আধুনিক শহরের কোলাহলমুক্ত এই দ্বীপে আপনি পাবেন অপার নিস্তব্ধতা। নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে বা প্রকৃতির কোলে জিরিয়ে নিতে এই অফবিট সৈকতের বিকল্প নেই।
৪. ওম বিচ, গোকর্ণ: দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকে অবস্থিত এই সৈকতের আকৃতি অনেকটা হিন্দু শাস্ত্রের ‘ওম’ চিহ্নের মতো। এখানে পর্যটকদের আনাগোনা থাকলেও সৈকতের বিশালতার কারণে নিজের মতো ব্যক্তিগত সময় কাটাতে কোনো অসুবিধা হয় না। সমুদ্রের পাড়ে ছোট ছোট শ্যাক বা কুঁড়েঘরে বসে আড্ডা আর মুখরোচক খাবারের স্বাদ নিতে নিতে দারুণ সময় কাটানো যায়।
৫. পেরুমাথুরা সৈকত, কেরালা: কেরালার তিরুঅনন্তপুরমের কাছে অবস্থিত এই সৈকতটি তার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। কেরালা মানেই ব্যাকওয়াটার্স আর নারকেল গাছের সারি, তবে পেরুমাথুরার শান্ত সমুদ্রতট আপনাকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেবে। একটি নিস্তরঙ্গ এবং অলস দিন কাটানোর জন্য এই সৈকতটি এক কথায় অনবদ্য।
নতুন বছরের ভ্রমণে এবার তবে গতানুগতিক ভিড় এড়িয়ে এই লুকানো রত্নগুলোর মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিন আপনার অবসরের সঙ্গী হিসেবে।