ব্যস্ত জীবনযাত্রা, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে বর্তমান সময়ে ওজন বৃদ্ধি একটি সাধারণ সমস্যা। অনেকে শরীরচর্চার ইচ্ছা থাকলেও সময়ের অভাবে জিম বা ব্যায়াম করতে পারেন না। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, মেদ ঝরানোর জন্য কেবল জিমই একমাত্র সমাধান নয়; নিয়মিত এবং সক্রিয় যৌনমিলনও শরীরচর্চার বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে। ২০ থেকে ৩০ মিনিটের ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত শরীরে ম্যাজিকের মতো প্রভাব ফেলতে পারে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!যৌনমিলনের (Intimacy) বিভিন্ন ভঙ্গি বা ‘পজিশন’ ভেদে ক্যালোরি খরচের পরিমাণে ভিন্নতা দেখা যায়:
-
মিশনারি ও ডগি স্টাইল: মিশনারি পজিশনে মহিলারা প্রায় ৪০ এবং পুরুষরা ১২০ ক্যালোরি পর্যন্ত পোড়াতে পারেন। অন্যদিকে, ডগি স্টাইলে মহিলাদের ৮০ এবং পুরুষদের ১২০ ক্যালোরি পর্যন্ত মেদ ঝরতে পারে।
-
কাউগার্ল ও লোটাস পজিশন: এই ভঙ্গিগুলোতে মহিলারা বেশি সক্রিয় থাকেন। কাউগার্ল পজিশনে মহিলারা সর্বোচ্চ ২২০ ক্যালোরি পর্যন্ত পোড়াতে পারেন, যেখানে পুরুষদের খরচ হয় মাত্র ৪০ ক্যালোরি। লোটাস ও রিভার্স কাউগার্ল পজিশনেও মহিলাদের প্রায় ১০০ ক্যালোরি খরচ হয়।
-
লেগস ইন দ্য এয়ার ও স্পুনিং: এই কৌশলগুলোতে পুরুষদের সক্রিয়তা বেশি থাকে। ‘লেগস ইন দ্য এয়ার’-এ পুরুষরা ১৩০ এবং মহিলারা ৮৫ ক্যালোরি পর্যন্ত মেদ ঝরাতে পারেন। স্পুনিং পজিশনেও পুরুষদের ১১০ ক্যালোরি পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
-
স্ট্যান্ডিং পজিশন: মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হলো স্ট্যান্ডিং পজিশন। এই কৌশলে মহিলারা ১০০-১৫০ ক্যালোরি এবং পুরুষরা ৫০০ ক্যালোরিরও বেশি মেদ ঝরাতে সক্ষম হন।
-
ওরাল সেক্স: এই পদ্ধতিতেও মহিলারা ৬০ এবং পুরুষরা ৭০ ক্যালোরি পর্যন্ত পোড়াতে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌনমিলন কেবল মানসিক তৃপ্তিই দেয় না, এটি একটি চমৎকার কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম। এটি হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং পেশিকে নমনীয় করে। তাই যদি জিম যাওয়ার সময় না পান, তবে সঙ্গীর সাথে কাটানো এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্তগুলোই আপনার বাড়তি মেদ ঝরিয়ে শরীরকে ফিট রাখতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে শীতের রাতে উষ্ণতার পাশাপাশি সুস্বাস্থ্যের জন্য এটি এক অনন্য দাওয়াই।